22 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিধাকায় ভোটের এক দিন আগে নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের প্রস্তুতি

ধাকায় ভোটের এক দিন আগে নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের প্রস্তুতি

১৩তম সংসদীয় নির্বাচন ও রেফারেন্ডাম শুরুর অর্ধেক দিনেরও কম সময় বাকি থাকায় দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তীব্রভাবে গড়ে উঠেছে। ঢাকার বিভিন্ন রাস্তা, পাড়া এবং সংকীর্ণ গলিতে ভোটের আগের উল্লাসের চিহ্ন দেখা যায়, যেখানে নাগরিকরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বহু ভোটার ছুটির সুবিধা নিয়ে তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার দিকে রওনা হওয়ায় প্রধান সড়কগুলো তুলনামূলকভাবে শান্ত। তবে গৃহমুখী রাস্তায় এবং গলিতে গাড়ি, সাইকেল ও পায়ে চলা মানুষদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা শহরের জীবন্ত দিককে তুলে ধরে।

চার দিনের ছুটির দিনগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভোটাররা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে তাদের ভোটকেন্দ্রের দিকে রওনা হওয়ায় শহরের কিছু অংশে উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ১৭ বছর পর ভোটের সুযোগ পেয়ে অনেক নাগরিক এই নির্বাচনকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করছেন।

বনাস্রীতে বসবাসকারী ৩৫ বছর বয়সী এস.এম. ফজলে রাব্বি, যিনি ঢাকা-১১ নির্বাচনী এলাকার ভোটার, আজ দুপুরে জানিয়েছেন যে তিনি এবং তার স্ত্রী আগামীকাল সকালেই ভোট দিতে যাবে এবং এ নিয়ে তিনি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ভুয়া ভোট, মধ্যরাতের ভোট এবং কল্পিত বিরোধী প্রার্থীদের কারণে আমার ভোটাধিকার সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়নি।” এই মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয়।

ঢাকার গলিপথে ভোট নিয়ে আলোচনা সর্বত্র শোনা যায়। কিশোর-কিশোরী ও ছোট শিশুরাও এই শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ভাগ করে নিচ্ছে, যেখানে তারা ভোটের গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করে। এই তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সচেতনতার ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

ধাকার বিভিন্ন পাড়া পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, বিশেষ করে মোহাম্মদপুরে, যেখানে ঢাকা-১৩ নির্বাচনী এলাকার আওতায় দুই প্রধান প্রার্থীর স্টল গলিতে স্থাপিত। বিএনপি’র ববি হাজ্জাজ এবং ১১ পার্টি জোটের মামুনুল হক উভয়ের সমর্থকরা ভোটারদের তথ্য প্রদান ও সহায়তা করার জন্য স্টল গঠন করেছেন।

এই স্টলগুলোতে ভোটাররা আগ্রহভরে এসে প্রশ্ন করে, তাদের ভোটার নম্বর যাচাই করে এবং নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের তথ্য নিশ্চিত করে। সমর্থকরা ভোটার তালিকা পরীক্ষা করে এবং ভোটের সময়সূচি সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করে, যা ভোটারদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

প্রতিবাদী ও সমর্থক উভয়েরই মতামত প্রকাশের এই পরিবেশ নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভোটের দিন আসার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি এবং ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

ভোটের ফলাফল নির্ধারিত হওয়ার পর পরবর্তী রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে, যেখানে সরকারী নীতি, বিরোধী দলের কৌশল এবং রেফারেন্ডামের ফলাফল একসাথে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে প্রভাব ফেলবে। এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষকরা ভোটের স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণের হারকে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সূচক হিসেবে দেখছেন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments