29 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল উদ্ভাবনী শটে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলকে সীমিত রাখে

আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল উদ্ভাবনী শটে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলকে সীমিত রাখে

আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ২০২৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপের একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। প্রথম দুই ওভারে আফগানিস্তানের ওপেনাররা শক্তিশালী শটের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকান পেসারদের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এবং স্কোরকে ২৩ রান (২ ওভারে) পর্যন্ত সীমিত রেখেছেন।

প্রথম ওভারে লুঙ্গি এনগিডির বোলিং থেকে আফগানিস্তান ১৩ রান সংগ্রহ করে শুরুর সুর ঠিক করে। ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ দুবার চারের গড়ে দুইটি চৌকো মারেন, যার মধ্যে একটি উদ্ভাবনী পিক‑আপ শট হিসেবে নজর কেড়েছে। গুরবাজের এই আক্রমণাত্মক শটের পরের ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকান র‍্যাম্প শটের বিশেষজ্ঞ মার্কো ইয়ানসেনকে ছক্কা দিয়ে তিনি দ্রুতই ১৭* রান যোগ করেন। গুরবাজ এবং জাদরান (১*) প্রথম দুই ওভারে কোনো উইকেট না নিয়ে দলকে সুরক্ষিত রাখেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের ব্যাটিং শুরুতে ১২ ওভারে ১ উইকেটের সঙ্গে ১২৪ রান সংগ্রহ করে, যা প্রত্যাশিত ২০০ রানের কাছাকাছি পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। তবে দলটি মাঝখানে দ্রুত রেট বাড়াতে পারলেও শেষের আট ওভারে আফগানিস্তান তাদের বোলিং দক্ষতা দেখিয়ে মাত্র ৬৩ রানই ছাড়তে দেয়। ওমরজাই তিনটি উইকেট নেন, আর রশিদ দু’টি উইকেট সংগ্রহ করেন, যা দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিংকে বাধাগ্রস্ত করে।

দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রিকেলটন এবং ডি কক প্রত্যেকেই ফিফটি করে দলকে সমর্থন করেন। ডি কক ৫৯ রান করে টি‑২০ বিশ্বকাপে তার মোট স্কোর ৭৩৭ রানে পৌঁছে, যা পূর্বে এবি ডি ভিলিয়ার্সের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে। রিকেলটন ৬১ রান যোগ করে, দুজনের সংযোজন শতরানও তৈরি করে। উভয়েরই পারফরম্যান্সে লবিং এবং এলবিডব্লিউ শটের ব্যবহার স্পষ্ট দেখা যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিং ইনিংসের শেষ দুই ওভার বাকি থাকায় দলটি মিলারের ওপর নির্ভর করে। মিলার এখনও মাঠে না এসে থাকলেও, তার উপস্থিতি দলকে শেষ মুহূর্তে রেসকিউ করার আশা জাগিয়ে তুলেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিংয়ের মাঝামাঝি পর্যায়ে রশিদের এক ওভারে ২৪ রান এবং দুই উইকেটের পারফরম্যান্স দলকে সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখে। তবে ১০ ওভারে ৯৮/১ স্কোরে ডি কক এবং রায়ান রিকেলটন একসাথে ৮৬ রান (৪৫ বল) গড়ে দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এই সময়ে প্রথমবার স্পিনার নুর আহমেদ ২২ রান conced করে, যা দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। রশিদ খান পরের দুই ওভারে ২১ রান ছেড়ে দেন, ফলে ডি কক ও রিকেলটন এখনও ফিফটির কাছাকাছি রয়ে যায়।

শক্তিশালী পাওয়ারপ্লে পারফরম্যান্সে আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল ৬ ওভারে ৪৩/১ স্কোরে দক্ষিণ আফ্রিকানদের সীমিত রাখে। এই পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকানরা ৪৩ রান সংগ্রহ করে, তবে মার্করামের উইকেট হারায়। আফগানিস্তানের বোলারদের জন্য কুইন্টন ডি ককের উপস্থিতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, যিনি ১৮ বলের মধ্যে ২৫ রান না দিয়ে অপরাজিত রয়ে গেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিংয়ের শেষ পর্যায়ে ফজলহক ফারুকির ২.৩ ওভারে ১২/১ স্কোরে শুরু থেকেই সংগ্রাম করতে দেখা যায়। তার বোলের শেষ মুহূর্তে মার্করামকে উইকেট দিয়ে দলকে সামান্য সান্ত্বনা দেয়। ফারুকির স্লোয়ার শটে ৫ রান যোগ করে, যা মিড-ওভারে দলের মোট স্কোরে সামান্য বাড়তি যোগ করে।

ম্যাচের সমাপ্তিতে আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম দুই ওভারে শক্তিশালী শটের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের বোলিংকে চ্যালেঞ্জ করে, এবং শেষের ওভারগুলোতে তাদের বোলিং পারফরম্যান্স দিয়ে স্কোরকে সীমিত রাখে। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল যদিও মাঝখানে ফিফটি করে মাঝারি স্কোর তৈরি করে, তবে শেষের ওভারগুলোতে রেট কমে যাওয়ায় তাদের লক্ষ্য পূরণে বাধা পায়। পরবর্তী ম্যাচে দু’দলই নিজেদের শক্তি বজায় রেখে টুর্নামেন্টে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments