চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশ উপজেলায় রাত দেড়টার দিকে একটি মাইক্রোবাস (নোয়া) এবং নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকার সঙ্গে জব্দ করা হয়। জব্দের কাজটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পন্ন করেছে। ঘটনাটি চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইলিয়াছ খান নিশ্চিত করেছেন। জব্দকৃত মাইক্রোবাসটি আবদুল বারিহাট এলাকার কাছাকাছি রাস্তায় থামানো হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনীর রিটার্নিং কর্মকর্তা তা থানা‑এ হস্তান্তর করেন। নগদ অর্থও একই সঙ্গে পুলিশকে প্রদান করা হয়। হস্তান্তরের পর মাইক্রোবাসটি থানার নিরাপত্তা গ্যারেজে রাখা হয় এবং সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
মো. ইলিয়াছ খান জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তা জব্দকৃত সম্পদকে থানা‑এ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তা মেনে চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, জব্দকৃত অর্থের রসিদ ও মাইক্রোবাসের নথি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি ইতিমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরী এই জব্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তিনি ফুটবল প্রতীক ব্যবহার করে স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীর নাম ও প্রতীক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত।
জব্দের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মিজানুল হক চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে। প্রার্থীর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তার অবস্থান বা ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয় এবং কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। চন্দনাইশ থানার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউনিট নং অফিসার (UNO) রাজীব হোসেনকেও একই বিষয়ে জানানো হয়। রাজীব হোসেনকেও কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এ পর্যন্ত উভয় কর্মকর্তার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জব্দকৃত নগদ ও মাইক্রোবাসের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নির্বাচন আইন অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রার্থীর আর্থিক সম্পদ ও সম্পদ ব্যবহার সম্পর্কে কঠোর বিধান



