29 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে ভোটার হুমকি অভিযোগে নির্বাচনী কমিটি তলব করেছে

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে ভোটার হুমকি অভিযোগে নির্বাচনী কমিটি তলব করেছে

দেবীদ্বার উপজেলা (কুমিল্লা-৪) আসনে প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর ভোটার হুমকি করার অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি শারীরিকভাবে হাজিরা দিতে তলব করেছে। অভিযোগের ভিত্তি হল, মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের পর তিনি ভোটারকে হুমকি দেওয়া এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার অভিযোগ উত্থাপন করা।

মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের কারণ ছিল ঋণখেলাপি হওয়া, যা নির্বাচনী কমিশনের নির্দেশে তার নাম তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রার্থিতা হারানোর পরেও তিনি নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে ভোটারকে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠে।

দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই অভিযোগ লিখিতভাবে কমিটিতে জানায়। উভয় কর্মকর্তা একসাথে কমিটিকে জানায় যে, মুন্সী ভোটারকে হুমকি দিয়ে নির্বাচনী নীতি লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কমিটি তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেয়।

গতকাল রাত, কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুমের নির্দেশে মুন্সীর বিরুদ্ধে লিখিত বিবৃতি ও শারীরিক উপস্থিতি চায়। কমিটি তাকে আজ বুধবার দুপুরের মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ উপস্থিত হতে নির্দেশ দিয়েছে।

মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের পর গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে বিএনপি সমর্থন জানায়। শেষ প্রচারণা দিন সোমবার মধ্যরাতে দেবীদ্বার উপজেলার বাকসার গ্রামে জসিম উদ্দিনের ট্রাক প্রতীকের সমর্থনে একটি উঠান বৈঠকে মুন্সী বিতর্কিত মন্তব্য করেন, যা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

বক্তব্যের পর থেকে মুন্সীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র মতবিনিময় চলছে। তার মন্তব্যকে কিছু লোক নির্বাচনী নৈতিকতা লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে তার সমর্থকরা তা রাজনৈতিক মত প্রকাশের অধিকার হিসেবে রক্ষা করছেন।

এই আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক দল (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহের নাম রয়েছে। তিনি এই নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক দলের মূল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

৪ ফেব্রুয়ারি, বিএনপি পুনরায় গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে সমর্থন জানায় এবং তার পক্ষে প্রচারণা চালায়। এরপর থেকে মুন্সী নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত রয়েছে, যদিও তার প্রার্থিতা বাতিল।

কমিটি এখন মুন্সীর লিখিত বিবৃতি ও শারীরিক উপস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। যদি তার বিবৃতি ভোটার হুমকি প্রমাণ করে, তবে আইনগত শাস্তি বা নির্বাচনী নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ঘটনা কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং আসন্ন ভোটের পূর্বে সকল প্রার্থীর আচরণ ও নীতি মেনে চলা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনী কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments