২০২৪ সালের টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে, ওমানের বোলার আমির কলিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় ৪৩ বছর ২৮৫ দিনের বেশি বয়স নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ বয়সী খেলোয়াড়ের শিরোপা অর্জন করেন। এই সাফল্য তাকে তালিকায় শীর্ষে নিয়ে আসে এবং পূর্বের রেকর্ডধারী খেলোয়াড়দের পরিসরে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
তালিকায় পাঁচ নম্বরে যুক্ত হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাটসম্যান খুররাম খান, যিনি দীর্ঘদিন ধরে টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বয়সের দিক থেকে শীর্ষে ছিলেন। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের ভূমিকা দলকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সমর্থন করেছে।
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার ব্র্যাড হগ, যাকে ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। হগের বয়সের শীর্ষে থাকা সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার টিমকে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ও গতি প্রদান করেন।
উগান্ডার অল-রাউন্ডার ফ্র্যাঙ্ক এনসুবুগা ২০২৪ টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠে নামার সময় ৪৩ বছর ২৮৫ দিন বয়সী ছিলেন, যা তাকে টুর্নামেন্টের অন্যতম বয়স্ক অংশগ্রহণকারী করে তুলেছে। তার উপস্থিতি উগান্ডার ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই অভিজ্ঞতা যোগায়।
হংকংয়ের রায়ান ক্যাম্পবেল পূর্বে দশ বছর ধরে টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ড ধারণ করছিলেন। ক্যাম্পবেল তার ক্যারিয়ারে বহু আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে দলের জন্য স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন।
ব্র্যাড হগের রেকর্ড ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত তিন বছর ধরে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ বয়সী খেলোয়াড়ের শিরোপা ধরে রাখে। সেই সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গেম পরিবর্তনকারী বল সরবরাহ করেন।
অমির কলিমের রেকর্ড ভাঙার পর, টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে ওমানের দলকে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। দলটি আগামী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকায় মুখোমুখি হবে, যেখানে অভিজ্ঞতা ও শারীরিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই রেকর্ডগুলো টি‑টোয়েন্টি ক্রিকেটের বৈশ্বিক পর্যায়ে বয়সের সীমা প্রসারিত করার উদাহরণ হিসেবে কাজ করে। খেলোয়াড়দের দীর্ঘায়ু ও পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিশ্বকাপের অন্যান্য দলগুলিও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিশ্রিত কৌশল ব্যবহার করে টুর্নামেন্টে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই পদ্ধতি ম্যাচের গতি ও ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।
টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, পরবর্তী সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা, ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলগুলো একে অপরের সঙ্গে মুখোমুখি হবে, যা দর্শকদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের প্রতিশ্রুতি দেয়।
সর্বশেষ রেকর্ড আপডেটের সঙ্গে, ক্রিকেট বোর্ডগুলো খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও ফিটনেসের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে বয়সের সীমা অতিক্রম করেও পারফরম্যান্স বজায় রাখা যায়।
এইসব তথ্যের ভিত্তিতে, টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে বয়সের দিক থেকে নতুন মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বয়স্ক খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বাড়বে।



