বার্সেলোনা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর নতুন সভাপতি নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুযায়ী দুইজন প্রার্থী তালিকাভুক্ত হয়েছে। লাপোর্তা নিজে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নাম নিবন্ধন করেছেন, আর তার প্রধান প্রতিপক্ষ হলেন ভিক্টর ফন্ট।
লাপোর্তা এবং ফন্টের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্লাবের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। উভয় প্রার্থীরই সমর্থক গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে মতামত প্রকাশ করছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে লিওনেল মেসি কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মেসি স্প্যানিশ মিডিয়ার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তিনি এই নির্বাচনে ভোট দেবেন না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না, এমনকি ভিক্টর ফন্টের সাথেও নয়। তার এই অবস্থান ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনায় তার প্রভাব কমিয়ে দেয়।
প্রাক্তন কোচ জাভি হার্নান্দেজের পক্ষ থেকে ভিক্টর ফন্টের সমর্থন প্রকাশ পেয়েছে। জাভি ফন্টের কৌশলগত পরিকল্পনা ও ক্লাবের সংস্কারকে প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে মেসি এই বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি, তার নীরবতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
ফন্টের একটি প্রকাশনা অনুযায়ী, যদি তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করেন, প্রথম কাজ হবে মেসিকে ফোন করা। তবে মেসি ইতিমধ্যে জানিয়েছেন যে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করবেন না। এই সিদ্ধান্ত তার ক্লাবের অভ্যন্তরীণ বিষয় থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
লাপোর্তা এবং মেসির সম্পর্কও এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। পূর্বে লাপোর্তা মেসির সমর্থন পেয়ে ক্লাবের নীতি গঠন করতেন, তবে বর্তমান সময়ে দুজনের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই। এই বিচ্ছিন্নতা মেসির ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করেছে।
মেসি পূর্বে বার্সেলোনার সভাপতি নির্বাচনে নিয়মিত ভোট দিতেন। তার এই পরিবর্তন ক্লাবের ভক্ত ও বিশ্লেষকদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তবে মেসি উল্লেখ করেছেন যে তার ব্যস্ত সময়সূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মিয়ামি ক্লাবে তার দায়িত্ব



