19 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিখুলনা জেলায় অধিকাংশ প্রার্থী ভোটকক্ষের এজেন্ট সরবরাহে অক্ষম

খুলনা জেলায় অধিকাংশ প্রার্থী ভোটকক্ষের এজেন্ট সরবরাহে অক্ষম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য খুলনা জেলার ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তবে বেশিরভাগই সব ভোটকক্ষে পোলিং এজেন্ট নিয়োগে সক্ষম নয়।

খুলনা-৩ আসনে ন্যূনতম ৫০৬টি বুথ, আর সর্বোচ্চ ৮৪৭টি বুথ খুলনা-৫ আসনে রয়েছে, যা প্রার্থী ও দলগুলোর জন্য বড় সংগঠনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামি প্রার্থীরা সব ভোটকক্ষের জন্য এজেন্টের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও তাদের প্রার্থীরা একই কাজ সম্পন্ন করেছে, অন্যদিকে বেশিরভাগ দল কেবল কিছু নির্বাচনী কেন্দ্রে এজেন্টের ব্যবস্থা করতে পারছে।

খুলনা জেলায় বিএনপির ছয়জন, জামায়াত-এ-ইসলামির পাঁচজন এবং ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশের পাঁচজন প্রার্থী রয়েছে। জাতীয় পার্টি চারটি আসনে, সিপিবি তিনটি আসনে প্রার্থী দাখিল করেছে। খেলাফতে মজলিস, ইসলামিক ফ্রন্ট, জেএসডি, বাসদ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জাতীয় পার্টি, গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ সম অধিকার পরিষদ ও এনডিএম প্রত্যেকটি এক-একটি আসনে প্রার্থী পাঠিয়েছে; বাকি প্রার্থীরা স্বতন্ত্র।

কমপক্ষে তেরজন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা সব ভোটকক্ষে এজেন্ট দিতে পারছে না; মোট অন্তত বাইশজন প্রার্থী এধরনের সমস্যার মুখোমুখি, আর কিছু প্রার্থী একেবারেই এজেন্ট সরবরাহ করতে পারছে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ তথ্যকে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও সম্ভাব্য ফলাফলের সূচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, খুলনায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামির প্রার্থীদের মধ্যে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব মো. বাবুল হাওলাদার উল্লেখ করেছেন, বড় দল বাদে অধিকাংশ প্রার্থী অপরিচিত মুখ, এবং পোলিং এজেন্টের জন্য কর্মী, সমর্থক ও আর্থিক সম্পদ প্রয়োজন, যা অনেকেরই নেই।

খুলনা-১ (দাকোপ‑বটিয়াঘাটা) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,০৭,১০৩, ১১৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ৬০২টি বুথ রয়েছে। ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের বাইরে কেউ এই আসনে জয়ী হননি। এবার বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান, আর জামায়াত-এ-ইসলামি প্রথমবার হিন্দু সম্প্রদায়ের কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করে আলোচনার সূচনা করেছে। এই আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী, যার মধ্যে আটজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, তবে অধিকাংশই এলাকার মানুষের কাছে অচেনা।

সামগ্রিকভাবে খুলনা জেলায় প্রার্থীদের এজেন্ট সরবরাহের সীমাবদ্ধতা তাদের সংগঠনের মাত্রা ও নির্বাচনী কৌশলকে প্রভাবিত করবে, এবং আসন্ন ভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments