19 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন চুক্তি স্বাক্ষরের পর ক্ষমা ও বিদায়ের আবেদন জানালেন

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন চুক্তি স্বাক্ষরের পর ক্ষমা ও বিদায়ের আবেদন জানালেন

শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ স্বাক্ষরের পর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নিজের কর্মকালের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং সরকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষরের পর উপদেষ্টা উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বললেন, গত দেড় বছর ধরে বিভিন্ন অনুসন্ধান ও প্রশ্নের মাধ্যমে তার কাজের গতি বাড়েছে, তবে ত্রুটি সনাক্ত হয়ে সংশোধনের সুযোগও পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারে যোগদানের সময় কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছেন এবং কোনো বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করেননি।

শেখ বশিরউদ্দীন আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সমর্থন ছাড়া তিনি তার দায়িত্ব পালন করতে পারতেন না। যখনই পরামর্শের প্রয়োজন হয়, তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে আন্তরিক ও প্রজ্ঞাময় নির্দেশনা পেয়েছেন এবং সেই নির্দেশনা অনুসরণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার গাইডেন্সের মাধ্যমে তিনি এবং তার দল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

উপদেষ্টা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও স্পষ্ট কথা বলেন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন এবং আবারও নিরিবিলি জীবনে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তদুপরি, তিনি শেষ অনুরোধ হিসেবে সবাইকে অনুরোধ করেন যে, তিনি যেন ভুলে যান এবং ক্ষমা করে দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি আর কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে অংশ নেবেন না এবং এই শেষ আবেদনটি সকলের কাছে পৌঁছে দিতে চান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার যে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করেছে, তা পুনরায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অগ্রসর হওয়া। ভবিষ্যতে তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।

এই সংবাদ সম্মেলনটি আরটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। চুক্তির মাধ্যমে দু’দেশের পণ্য ও সেবা বিনিময় সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপদেষ্টার মন্তব্যগুলো চুক্তির গুরুত্বের পাশাপাশি তার নিজের কর্মজীবনের পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি উভয়ই তুলে ধরেছে।

শেখ বশিরউদ্দীন শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেন, তিনি সরকারে কাজ করার সময় কোনো স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্ব করেননি এবং আল্লাহর কৃপায় সব কাজ সৎভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আবারও সবাইকে অনুরোধ করেন, তার ভুলগুলোকে ভুলে গিয়ে ক্ষমা করে দিন এবং তিনি যেন শান্তিপূর্ণভাবে তার পেশাগত পথে ফিরে যেতে পারেন।

এই বিবৃতি এবং চুক্তি স্বাক্ষরের পরের ঘটনাগুলো বাংলাদেশ সরকারকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিয়ে এসেছে, যেখানে নীতি-নির্ধারক ও উপদেষ্টা উভয়ই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সমন্বিত কাজের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments