ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস, অস্থায়ী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, আজ সন্ধ্যা ৭টায় টেলিভিশনে জাতীয় সম্প্রচারে ভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে তাদের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের স্পষ্ট নির্দেশ দিতে বলছেন যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো হিংসা, ভয় দেখানো বা ভোটারকে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা না হয়।
ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস জোর দিয়ে বলেছেন যে এই নির্দেশনা জাতীয় স্তর থেকে গ্রাম্য পর্যায় পর্যন্ত সর্বত্র প্রয়োগ করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি কোনো দল বা গোষ্ঠী এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে, তাহলে তা দেশের শাসনব্যবস্থার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হবে।
“Any move to forcibly take over polling centres, disrupt voting or provoke unrest would not be tolerated by the state,” তিনি টেলিভিশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। এই বক্তব্যের সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারী দায়িত্বের অন্যতম মূল বিষয়।
ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস ভোটার কেন্দ্র দখল, ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত করা বা অশান্তি সৃষ্টির কোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে নিন্দা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এমন কোনো কাজের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে।
সামাজিক মিডিয়ায় গুজব ও ভুয়া তথ্যের বিস্তারকে তিনি বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস উল্লেখ করেছেন, ভুয়া খবর ও গুজব ভোটারদের আস্থা ক্ষয় করে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
“The state will not tolerate such behaviour under any circumstances,” তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন। এ কথা বলার পাশাপাশি তিনি ডেটা ও তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন।
অস্থায়ী সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস জানান। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সকল রাজনৈতিক শক্তির সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস প্রত্যাশা করেন, রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীলতা ও সংযমের সঙ্গে আচরণ করবে। তিনি যোগ করেন, সংযমের অভাব হলে তা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভোটের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সমগ্র সমাজের যৌথ দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে প্রতিটি দল, প্রতিটি কর্মী ও প্রতিটি নাগরিকের ভূমিকা অপরিহার্য।
“The election must be conducted in a calm and secure environment so that people can vote freely,” ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস এই বাক্যটি উল্লেখ করে ভোটারদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরও যোগ করেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটদানই সত্যিকারের গণতন্ত্রের ভিত্তি।
ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার কোনো প্রচেষ্টা দ্রুত ও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এই বক্তব্যটি দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রকাশিত হয়েছে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটিকে শূন্য সহনশীলতা নীতি হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের সতর্কবার্তা নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং ভোটারদের স্বেচ্ছা সিদ্ধান্তকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



