25 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন শীর্ষ শুটার কলিকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন শীর্ষ শুটার কলিকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে

বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায় যে, দেশের শীর্ষ নারী শুটার কামরুন নাহার কলিকে কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘনের ভিত্তিতে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কামরুন নাহার কলি সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অন্যতম সেরা শুটার হিসেবে স্বীকৃত, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে শুটিং জগতে নিজের নাম রেকর্ড করেছে।

ফেডারেশন কর্তৃক প্রকাশিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কলির বিরুদ্ধে পূর্বে এক মাস আগে সাময়িক বহিষ্কারের চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ঐ চিঠিতে তার আচরণগত সমস্যার উল্লেখ করে সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়েছিল।

কলি চিঠিতে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও, ফেডারেশনের পরিচালনা পর্ষদ তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করেনি। ফলে কোড অফ কন্ডাক্টের ধারাবাহিক লঙ্ঘনের প্রমাণ হিসেবে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

বহিষ্কৃত যুগ্ম সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে কলি যৌন হয়রানি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলেছিলেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাজ্জাদকে শুটিং ফেডারেশনের কমিটি থেকে অব্যাহতি দেয়।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাজ্জাদকে কমিটি থেকে বাদ দিলেও, ফেডারেশনের অভ্যন্তরে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্য রয়ে যায়। শুটিং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সাজ্জাদের বিরুদ্ধে কোলির অভিযোগ প্রকাশের ফলে তাকে প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে।

ফেডারেশন এই সিদ্ধান্তের পেছনে শুটিং ক্রীড়ার শৃঙ্খলা রক্ষা এবং খেলোয়াড়দের আচরণগত মানদণ্ড বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছে। কোড অফ কন্ডাক্টের লঙ্ঘনকে কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে বলে তারা জোর দিয়েছে।

কোলির নিষেধাজ্ঞা শুটিং ক্রীড়া সংস্থার অভ্যন্তরে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেক শুটার ও কোচ এই পদক্ষেপকে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন, তবে একই সঙ্গে তারা কলির ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং শুটিং ফেডারেশন উভয়ই উল্লেখ করেছে যে, ভবিষ্যতে অনুরূপ লঙ্ঘন ঘটলে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে এবং খেলোয়াড়দের নৈতিক দায়িত্বের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হবে।

কোলির নিষেধাজ্ঞা তার অংশগ্রহণের অধিকারকে এক বছর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করবে, ফলে তিনি আসন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শুটিং ইভেন্টে অংশ নিতে পারবেন না। এই সময়ে তিনি শাস্তি মেনে সংশোধনের সুযোগ পাবে।

শুটিং ফেডারেশন ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা শেষে কলি পুনরায় যোগ্যতা অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ ও আচরণগত মূল্যায়নের মাধ্যমে পুনরায় অনুমোদন পেতে হবে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাজ্জাদের কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পরেও, শুটিং সংস্থার অভ্যন্তরে তার প্রভাব বজায় রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন। তবে ফেডারেশন এই বিষয়টি স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, শুটিং ফেডারেশন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ উভয়ই শৃঙ্খলা, নৈতিকতা এবং খেলোয়াড়ের আচরণে উচ্চ মানদণ্ড বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কলির এক বছরের নিষেধাজ্ঞা এই নীতির বাস্তবায়নের একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই সিদ্ধান্তের পর শুটিং সম্প্রদায়ের মধ্যে পুনর্গঠন ও নৈতিকতা সংক্রান্ত আলোচনার সূচনা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ক্রীড়া পরিবেশকে আরও স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত করে তুলতে সহায়তা করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments