25 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘোষণা

পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পূর্বে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

মোট ১,৮৭,৬০৩ পুলিশ সদস্য দেশব্যাপী নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। এই কর্মশক্তি কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল ইউনিট, চলমান ভ্রাম্যমাণ দল এবং বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্সে ভাগ করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি পর্যায়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া সম্ভব হয়।

সামগ্রিকভাবে ৮,৭৭০টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা এবং বডি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যা ভোটগ্রহণের সময় কোনো অনিয়ম ঘটলে তা রিয়েল-টাইমে রেকর্ড করবে।

প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশই প্রধান ভূমিকা পালন করবে, তবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসারসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়েও কাজ করা হবে। এই বহুমুখী সহযোগিতা সম্ভাব্য হিংসা বা অশান্তি দমন করতে সহায়তা করবে।

বাহারুল আলম উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ২৪,০০০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অতিরিক্ত পুলিশ দল মোতায়েন করা হবে।

যদি কোনো ভোটকেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটে, তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হতে পারে। প্রয়োজনে পুরো আসনের ভোটও বাতিল করা হতে পারে, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।

নির্বাচন নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, লুট হওয়া অস্ত্রের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ তালিকায় ১,৩৩০টি অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত, তবে লুণ্ঠিত সহস্রাধিক অস্ত্র এখনও পুনরুদ্ধার করা যায়নি।

বাহারুল আলম জোর দিয়ে বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সময় কোনো বিষয় উপেক্ষা করা হয়নি; সব দিক বিবেচনা করে পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন, সব ধরণের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ও কর্মী প্রস্তুত রয়েছে।

এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের সময়সূচি ও প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে। নির্বাচনের পূর্বে এবং ভোটগ্রহণের সময় উভয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি এবং পর্যবেক্ষণ সরঞ্জামগুলো ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা বাড়াবে। সিসি ক্যামেরা এবং বডি ক্যামেরা ভোটার ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রমাণ সংগ্রহেও সহায়তা করবে।

বাহারুল আলমের মতে, নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয় ও সমর্থন অপরিহার্য। তিনি সব স্তরের নিরাপত্তা কর্মীকে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে আহ্বান জানান।

শেষে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নির্ভরযোগ্য পরিচালনা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজন অনুসারে সমন্বয় করা হবে। এই পদক্ষেপগুলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত হয়েছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments