ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – জাতীয় ধানের শীষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটের ব্যাপারে শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ভাষণ দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকার এ ভোটের ফলাফল রিয়েল‑টাইমে পর্যবেক্ষণ করতে বিমান বাহিনীর ড্রোন ব্যবহার করবে, যাতে ভোটের মাঠের দৃশ্য সরাসরি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে জনগণকে জানানো যায়।
তারেকের এই মন্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যা তিনি দেশের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ধানের শীষে অনুষ্ঠিত এই ভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা পরিবর্তন করতে সক্ষম, তাই তা ‘ইতিহাসের মোড়’ হবে।
ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। নির্বাচনী তালিকায় মোট ১,১০৯ ভোটার অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে ১৫৮ নারী কারাবন্দি ও ৫৬ ভিআইপি ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, ৮৯৩ ভোটার এখনও ভোট দেননি। এছাড়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকের সংখ্যা ৫৪০-এ পৌঁছেছে, যা দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করবে।
ড্রোন পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশিত হয়নি, তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন যে প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলো ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষা করে রিয়েল‑টাইম ডেটা সরবরাহ করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটের মাঠে কোনো অনিয়ম বা হস্তক্ষেপ দ্রুত সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রধান বিরোধী দল এখনও এই পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ড্রোন ব্যবহার নিয়ে কিছু উদ্বেগ থাকতে পারে, বিশেষত গোপনীয়তা ও ভোটারদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত। এই বিষয়গুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা হতে পারে।
ভোটের ফলাফল দেশের নীতি নির্ধারণে সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ধানের শীষে অনুষ্ঠিত এই ভোটের মাধ্যমে কৃষি, বাণিজ্য ও সামাজিক কল্যাণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।
এই ভোটের প্রস্তুতি ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে লাইভ ফিড সরবরাহের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, দুটোই দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে।
ভোটের দিন নির্ধারিত হলে, ড্রোন থেকে প্রাপ্ত ভিডিও ও ছবি সামাজিক মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হবে, যা ভোটার ও সাধারণ জনগণের জন্য রিয়েল‑টাইম তথ্য সরবরাহ করবে। এই পদ্ধতি ভোটের ফলাফল নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ কমিয়ে আনবে এবং ফলাফল স্বীকারযোগ্যতা বাড়াবে।
সর্বশেষে, সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়ই নিশ্চিত করেছেন যে ড্রোন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে আইনি বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে এবং ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে। এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক মান উন্নত করতে সহায়তা করবে।



