22 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসাবিনা আক্তার তুহিন আদালত থেকে কারাগারে যাওয়ার পথে পুলিশ মুখ আটকে দিলেন

সাবিনা আক্তার তুহিন আদালত থেকে কারাগারে যাওয়ার পথে পুলিশ মুখ আটকে দিলেন

সাবেক সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবিনা আক্তার তুহিন, সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তরের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেন, কিন্তু এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে তার মুখ চেপে ধরা হয়।

সকাল ২টার দিকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত ৩০ জন অভিযুক্তকে ঢাকা বিশেষ জজ আদালত‑১০-এ হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী দিন, ২ মার্চের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। এরপর ২:১৮ টায় সাবিনা সহ অন্যদের আবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নে সাবিনা কথা বলতে চাইলেন, তখন এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই মামলাটি রাষ্ট্রদ্রোহী অভিযোগের অধীনে দায়ের হয়েছে, যেখানে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণের ভিত্তিতে সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ মোট ২৮৬ জনের নাম রয়েছে, যার মধ্যে ২৫৬ জন বর্তমানে পলাতক।

২১ জানুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিয়ে শুনানি শুরু হয়। ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। একই সময়ে গ্রেপ্তারকৃত ৩০ জনের মধ্যে ২০ জনের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে শোনা হয়।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে খুলনার যুবলীগ নেতা পারভেজ খান ইমন, চট্টগ্রাম ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ প্রধান কবিরুল ইসলাম আকাশ, বরিশাল বিভাগের কামরুল ইসলাম, সোহানা পারভীন রুনা, হাফিজুর রহমান ইকবাল, মাহবুবুর রহমান মধু, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আল মারুফ, এলাহী নেওয়াজ মাছুম ও সাজ্জাদুল আনাম।

সাবিনা আক্তার তুহিনসহ মোট ৩০ জন গ্রেপ্তারকৃতকে বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই সময়ে, ২৫৬ জন অভিযুক্ত, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অন্তর্ভুক্ত, পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। কিছু অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অব্যাহতির আবেদন শোনা হয়েছে, তবে তাদের অধিকাংশের মুক্তি এখনো নির্ধারিত হয়নি।

পুলিশের মুখ আটকে দেওয়ার ঘটনা সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। উপস্থিত সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, সাবিনা যখন প্রশ্নের উত্তর দিতে চেয়েছিলেন, তখন এক নারী পুলিশ সদস্য দ্রুত তার মুখে হাত রাখেন এবং তাকে কথা বলতে বাধা দেন। এরপর তাকে পুনরায় গাজীপুরের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলাটি এখনো চলমান, এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। আদালত আগামী সপ্তাহে অভিযোগ গঠন ও প্রমাণের বিশদ পর্যালোচনা করবে, যা মামলার চূড়ান্ত রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই মামলায় উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments