22 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিউচ্চ আদালতে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে সাহিদুল ইসলামের প্রার্থীতা স্থগিতের আবেদন

উচ্চ আদালতে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে সাহিদুল ইসলামের প্রার্থীতা স্থগিতের আবেদন

ঢাকা-১১ আসনের জাতীয় পার্টি (NCP) কনভিনার সাহিদুল ইসলামকে নির্বাচনী কমিশনের প্রার্থিতা স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ উচ্চ আদালতে এক আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আবেদনটি জাতীয় পার্টি (Jatiya Party) প্রার্থী শামিম আহমেদ তার আইনজীবী মোহাম্মদ মনজু মোল্লার মাধ্যমে দাখিল করেছেন। আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী, সাহিদুল ইসলাম ডোমিনিকান কমনওয়েলথের নাগরিকত্ব ধারণ করেন এবং তা নির্বাচনী কমিশনের কাছে জমা দেওয়া অফিডেভিটে গোপন করেছেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রার্থীর ডোমিনিকান নাগরিকত্বের তথ্য অস্বীকার করা হলে তিনি সংবিধানের ধারা ৬৬(২)(সি) অনুযায়ী সংসদ সদস্যের যোগ্যতা থেকে বাদ পড়বেন। এই ধারা স্পষ্টভাবে বলে যে, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি পার্লামেন্টের সদস্য হতে পারেন না। তাই, যদি এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে সাহিদুল ইসলামকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে।

মোহাম্মদ মনজু মোল্লা আদালতে জানিয়েছেন, আবেদনটির মূল লক্ষ্য হল নির্বাচনী কমিশনকে আদেশ দেওয়া যাতে তিনি সাহিদুল ইসলামের প্রার্থিতা স্বীকৃতি বাতিল না করা পর্যন্ত তা স্থগিত রাখেন। তিনি যুক্তি দেন যে, সংবিধানিক বিধান লঙ্ঘনকারী কোনো প্রার্থীর স্বীকৃতি দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করবে। তাই আদালতকে অনুরোধ করা হয়েছে যে, এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থিতার বৈধতা স্থগিত রাখা হোক।

দাখিলের সময় পর্যন্ত নির্বাচনী কমিশন থেকে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি, ফলে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা চলছে। আবেদনকারী দল দাবি করে যে, কমিশনের এই অপ্রতিক্রিয়াশীলতা প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে সন্দেহ বাড়িয়ে তুলেছে এবং তা দ্রুত সমাধান করা দরকার।

মোহাম্মদ মনজু মোল্লা উল্লেখ করেছেন যে, উচ্চ আদালত আগামীকাল এই আবেদনটি শোনার সম্ভাবনা রয়েছে। শোনার সময় আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পরই চূড়ান্ত রায় প্রদান করবে। যদি আদালত আবেদন গ্রহণ করে, তবে নির্বাচনী কমিশনকে তৎক্ষণাৎ প্রার্থিতার স্বীকৃতি বাতিলের নির্দেশ দিতে পারে।

এই মামলাটি রাজনৈতিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। NCP যদি এই প্রার্থিতার উপর নির্ভরশীল হয়, তবে প্রার্থিতার স্থগিত বা বাতিল হলে পার্টির ভোটাভাটির কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হবে। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টি (Jatiya Party) এই সুযোগকে ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সংবিধানিক মানদণ্ডের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, আদালতের রায়ের অপেক্ষা চলমান এবং এই বিষয়টি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে রায়ের ভিত্তিতে নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট পার্টিগুলোর কৌশলগত পরিবর্তন দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments