25 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইসির ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা, জামায়াত-এ-ইসলামির আমিরের দৃঢ় মন্তব্য

ইসির ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা, জামায়াত-এ-ইসলামির আমিরের দৃঢ় মন্তব্য

ইলেকশন কমিশন (ইসি) ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের পর, জামায়াত-এ-ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুকে তীব্র মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দেশের নাগরিকদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাওয়ার অধিকারকে তুলে ধরে, এই অধিকার অর্জনে রক্তের মূল্য স্বীকার করেছেন।

ইসির এই পদক্ষেপটি ভোটের সময় অনধিকৃত যোগাযোগ ও প্রভাবের ঝুঁকি কমাতে নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে যে, ভোটকেন্দ্রের ভিতরে মোবাইল ফোনের ব্যবহার সীমাবদ্ধ করলে ভোটারদের গোপনীয়তা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষা হবে।

ডা. শফিকুর রহমানের পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের মানুষ একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভোটাররা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারে এবং নির্বাচনী প্রতীকগুলোর সঙ্গে গর্বের সাথে উদযাপন করতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার অর্জনের জন্য রক্তের বিনিময়ে সংগ্রাম করা হয়েছে। এই সংগ্রামকে অগ্রাহ্য না করে, ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আবারও এই অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

যুব প্রজন্মের প্রস্তুতি ও সতর্কতা সম্পর্কে তিনি বিশেষভাবে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, তরুণরা অধিকার রক্ষায় সর্বদা সজাগ এবং প্রস্তুত থাকে। এই সতর্কতা ভোটের সময় কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।

ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে তিনি ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চান, যাতে তারা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা বজায় থাকে। তিনি ভোটারদেরকে তাদের অধিকারকে পুনরায় রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে আহ্বান জানান।

এই মন্তব্যের মাধ্যমে জামায়াত-এ-ইসলামি তার নির্বাচনী ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। দলটি ইসির মোবাইল নিষেধাজ্ঞা নীতি সমর্থন করে, কারণ এটি ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিকৃতি রোধে সহায়ক বলে তারা মনে করে।

অন্যদিকে, কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইসির এই সিদ্ধান্তকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছেন, তবে কিছু দল ও নাগরিক অধিকার সংস্থা অতিরিক্ত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা দাবি করে যে, ভোটকেন্দ্রে মোবাইলের সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা তথ্যপ্রাপ্তি ও জরুরি যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ইসির মোবাইল নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াত-এ-ইসলামির আমিরের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বাড়তে পারে। নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন, বিভিন্ন দল এই নীতি নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে এবং প্রয়োজনে আইনি পদ্ধতিতে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

আগামী নির্বাচনের সময়সূচি ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর নির্ধারিত, এবং ইসির এই নতুন নিয়মাবলী ভোটের দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সকল রাজনৈতিক দলকে এই নিয়ম মেনে চলতে হবে, যাতে ভোটের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

ডা. শফিকুর রহমানের পোস্টে উল্লেখিত যুব প্রজন্মের সক্রিয়তা এবং সতর্কতা, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তার মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে এবং নির্বাচনী অধিকার রক্ষায় সমবেত প্রচেষ্টা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

সামগ্রিকভাবে, ইসির মোবাইল নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াত-এ-ইসলামির আমিরের দৃঢ় মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দিক উন্মোচন করেছে। উভয় পক্ষের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের ওপর নজর রেখে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সকল স্টেকহোল্ডারকে সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments