26 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের আগে, নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধের নির্দেশ জারি করেছে। এই নির্দেশনা রবিবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভোটকেন্দ্রের চারশ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভোটারদের স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে, তিনটি বিশেষ ক্ষেত্রে ফোন বহন অনুমোদিত থাকবে। প্রথমটি হল ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার, যিনি কেন্দ্রের কার্যক্রম তদারকি করেন। দ্বিতীয়টি হল ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, যিনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। তৃতীয়টি হল “নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬” অ্যাপের ব্যবহারকারী দুইজন—একজন আনসার এবং একজন ভি.ডি.পি. সদস্য, যারা ভোটের সুরক্ষা ও পর্যবেক্ষণে সহায়তা করেন।

ভোট গ্রহণের নির্ধারিত দিন হল আগামী বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই ভোট নেওয়া হবে। এই সময়সীমা পুরো দেশের ৬৪ জেলায় সমানভাবে প্রয়োগ হবে, যাতে ভোটাররা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ভোট দিতে পারেন।

এই নির্বাচনে মোট ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যা পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখে পৌঁছেছে, ফলে ভোটারদের জন্য যথেষ্ট স্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রত্যেক ভোটারকে সহজে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। শেরপুর‑৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট নেওয়া হবে না, ফলে ওই আসনের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পুনরায় নির্ধারিত হবে।

এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। প্রধান দলগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি দলগুলোও এই ত্রয়োদশ নির্বাচনে তাদের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে।

বিধিনিষেধের বিষয়ে কিছু রাজনৈতিক দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, ভোটারদের জরুরি যোগাযোগের সুযোগ সীমিত হলে জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে, কমিশন জোর দিয়ে বলেছে যে, ফোন নিষেধাজ্ঞা ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ভোটারদের অনিচ্ছাকৃত প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয়।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের অংশগ্রহণে সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য এটি সহায়ক হবে। ভোটের পর ফলাফল গণনা শুরু হবে, এবং ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার গঠন ও নীতি নির্ধারণের দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হবে।

সারসংক্ষেপে, ভোটকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবে নির্দিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মী ও নিরাপত্তা দলকে এই সীমাবদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণের সময়সূচি ও কেন্দ্রের সংখ্যা পূর্বে জানানো হয়েছে, এবং ৫১টি দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। ভোটের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments