26 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসিয়াটল সিকস ২৯-১৩ স্কোরে নিউ ইংল্যান্ড পেট্রিয়টসকে পরাজিত করে দ্বিতীয় সুপার বোল...

সিয়াটল সিকস ২৯-১৩ স্কোরে নিউ ইংল্যান্ড পেট্রিয়টসকে পরাজিত করে দ্বিতীয় সুপার বোল জয়

সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়ার লেভি’স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সুপার বোল ৬০-এ সিয়াটল সিকস ২৯-১৩ স্কোরে নিউ ইংল্যান্ড পেট্রিয়টসকে হারিয়ে তাদের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিত করেছে। প্রথম শিরোপা ২০১৪ সালে অর্জন করা দল, এইবার রক্ষা করা ডিফেন্সের মাধ্যমে বড় জয় অর্জন করেছে।

সিকসের রক্ষামূলক দলটি ম্যাচের পুরো সময়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে; ছয়টি স্যাক, তিনটি টার্নওভার এবং একটি ডিফেন্সিভ টাচডাউন দিয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণকে দমিয়ে রেখেছে। প্রথমার্ধে সিকস ৯-০ লিড নিয়ে ঘরে ফিরে আসে, যা তাদের রক্ষার দৃঢ়তা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার ফলাফল।

নিউ ইংল্যান্ড পেট্রিয়টসের দ্বিতীয় বর্ষের কৌয়ার্টারব্যাক ড্রেক মেয়ের পারফরম্যান্সে বাধা পড়ে, যদিও তিনি সিজনের সর্বোচ্চ এমভিপি পুরস্কারের প্রার্থী ছিলেন। মেয়ের প্রথম টার্নওভারই তৃতীয় কোয়ার্টারে সিকসের টাইট এন্ড এ.জে. বার্নারকে টাচডাউন স্কোর করতে সাহায্য করে, যা দলকে দ্রুত গড়িয়ে দেয়।

সিকসের লাইনব্যাকার উচেননা নওসু একটি ইন্টারসেপশনকে ৪৫ গজের টাচডাউন রূপে রূপান্তরিত করেন, যা ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া জেসন মেয়ার্স পাঁচটি ফিল্ড গোলের মাধ্যমে রেকর্ড স্থাপন করে, যার ফলে দলটির মোট স্কোরে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

সিকসের ডিফেন্সিভ কোঅর্ডিনেটর, ৪৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ কোচ অ্যাডেন ডার্ডে, প্রথম বিদেশি কোচ হিসেবে সুপার বোলের শিরোপা জিতেছেন। তিনি “দার্ক সাইড” নামে পরিচিত রক্ষামূলক ইউনিট গড়ে তুলেছেন, যা এই ম্যাচে তার কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

হেড কোচ মাইক ম্যাকডোনাল্ড ম্যাচের পর দলের সঙ্গে তার সন্তোষ প্রকাশ করেন, তিনি বলেন দলটি একে অপরের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং রক্ষার শক্তি দিয়ে বিজয় অর্জন করেছে। তার কথায় দলীয় ঐক্য এবং কৌশলগত দৃঢ়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

কিনথ ওয়াকার, যিনি ১৩৫ গজ দৌড়ে রেকর্ড তৈরি করেছেন, সুপার বোলের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সকারী রাশিং ব্যাক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন, যা ১৯৯৮ সালের টেরেল ডেভিসের পর প্রথমবারের মতো রাশিং ব্যাককে এমভিপি উপাধি দেয়। তার দৌড়ের গতি এবং টাচডাউন দলকে অতিরিক্ত পয়েন্ট যোগ করেছে।

ম্যাচে উপস্থিত ৭০,৮২৩ দর্শকের বেশিরভাগই সিকসের পক্ষে উল্লসিত ছিল, যদিও দলটি সূক্ষ্মভাবে প্রিয় ছিল। জয়টি সিকসের জন্য কেবল দ্বিতীয় শিরোপা নয়, কোচ এবং খেলোয়াড়দের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও বটে।

সিকসের পরবর্তী পরিকল্পনা এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে এই জয় তাদের পরবর্তী মৌসুমের জন্য আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপন করেছে। নিউ ইংল্যান্ড পেট্রিয়টসের জন্যও রক্ষার দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ গেমে কৌশল পরিবর্তন করা জরুরি হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments