24 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাইংল্যান্ডের বিপক্ষে নেপালের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চার রান পার্থক্যে পরাজয়

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নেপালের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চার রান পার্থক্যে পরাজয়

মুম্বাইয়ের ওয়ানখেডে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ের গ্রুপ ম্যাচে নেপাল ৪ রান পার্থক্যে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে। শেষ ওভারে দশ রান রক্ষা করার দায়িত্বে থাকা সাম কার্রান শেষ মুহূর্তে ক্যাপ্টেন হ্যারি ব্রুক এবং অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার জোস বাটলারকে পরামর্শের জন্য থামতে বাধ্য হয়।

ইংল্যান্ডের শেষ ওভারে সাম কার্রানকে দশ রান দরকার ছিল, কিন্তু তিনি দ্রুত হ্যারি ব্রুক এবং জোস বাটলারের সঙ্গে আলোচনা করেন। দুইজনের সঙ্গে সমন্বয় করার পরও শেষ ওভারে নেপালের বোলাররা চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থতা দেখা দেয়।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নেপাল ৪ রান পার্থক্যে জয়লাভ করে, যা টুর্নামেন্টে তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচের সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য উইল জ্যাক্সকে ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ ঘোষণা করা হয়। তিনি নেপালের খেলাকে প্রশংসা করে বলেন, “তারা আমাদের কঠিন পরিস্থিতিতে টেনে নিয়ে এসেছে এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রান্তে নিয়ে এসেছে।” তার কণ্ঠে স্পষ্টভাবে স্বস্তি ও গর্বের মিশ্রণ শোনা যায়।

উইল জ্যাক্স আরও উল্লেখ করেন, “তারা আমাদের প্রান্তে নিয়ে এসেছে, এবং যদি পিচের অবস্থা এভাবেই থাকে, তবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে।” তার মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে পিচের পরিবর্তনশীলতা ইংল্যান্ডের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং টুর্নামেন্টের অগ্রগতিতে তা বড় ভূমিকা রাখবে।

এই ম্যাচের আগে নেপাল গ্রুপ স্টেজে পূর্ণ সদস্য জাতির বিরুদ্ধে মাত্র এক রানের পার্থক্যে হারের মুখোমুখি হয়েছিল, যা তাদের পারফরম্যান্সকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। নেপালের এই ধারাবাহিকতা দেখায় যে তারা বড় দলগুলোর সঙ্গে সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম।

টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, যদিও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান জয়লাভ করে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, সহ-আয়োজক দেশ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলকে সুপার ইটসের পথে নিয়ে যায়। এই ফলাফলগুলো টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতার তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়।

দুই বছর আগে আইসিসি টুর্নামেন্টকে ২০টি দলে বাড়িয়ে আনার পর থেকে অ্যাসোসিয়েট জাতিগুলোর জন্য মঞ্চ বিস্তৃত হয়েছে। নেপালের মতো দলগুলো এখন বড় দলের সঙ্গে সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে, যা টুর্নামেন্টের গুণগত মানকে উঁচুতে নিয়ে গেছে।

ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে তারা আবার শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, এবং পিচের অবস্থা কেমন হবে তা তাদের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টুর্নামেন্টের বাকি দিনগুলোতে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স কেমন হবে, তা এখনো অনিশ্চিত, তবে নেপালের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাদের জন্য সতর্কতা বাণী হিসেবে কাজ করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments