17 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিথাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে অনুতিনের দল প্রাথমিক ফলাফলে অগ্রগতি

থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে অনুতিনের দল প্রাথমিক ফলাফলে অগ্রগতি

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চ্যান-ও-চার নেতৃত্বাধীন ভুমজাইথাই পার্টি ভোটের গাণিতিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি দেখিয়েছে। ৫৬ শতাংশ ভোট গোনা হয়ে যাওয়ার পর, সরকার গঠন নিয়ে অনুমানগুলোতে পরিবর্তন দেখা গেছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন মোড়ে নিয়ে যাবে।

পূর্বাভাসে সংস্কারপ্রিয় পিপলস পার্টি অগ্রগামী হবে বলে ধারণা করা হলেও, বর্তমান গণনা অনুযায়ী ভুমজাইথাই পার্টি অধিকাংশ আসন জিততে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে ভুমজাইথাই পার্টি প্রায় ১৯৭টি সিট অর্জন করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যেখানে পিপলস পার্টি প্রায় ১১০টি সিট পেতে পারে।

অনুতিন চ্যান-ও-চা এই অগ্রগতিকে থাই নাগরিকদের সমষ্টিগত প্রচেষ্টার ফল বলে উল্লেখ করেছেন এবং ভোটদান বা না করার বিষয়টি ফলাফলে প্রভাব ফেলবে না এমন মন্তব্য করেছেন। তার এই বক্তব্যের পর পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত স্বীকার করেছেন যে তার দলকে দ্বিতীয় স্থানে নামতে হবে এবং তিনি সরকার গঠনের পর বিরোধী ভূমিকা গ্রহণে প্রস্তুত আছেন।

এই নির্বাচনটি থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার পরপরই অনুষ্ঠিত হয়েছে; গত দুই বছরে তিনজন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে এবং কয়েকটি জোট সরকার ভেঙে পড়েছে। মোট ৫০টিরও বেশি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, প্রধান তিনটি দল—পিপলস পার্টি, ভুমজাইথাই পার্টি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিন সিনাওয়াত্রার নেতৃত্বে ফেউ থাই পার্টি—ইতিবাচকভাবে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

কোনো একক দলকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা কম থাকায়, এখন জোট গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন যে অনুতিন চ্যান-ও-চা পুনরায় প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পার্টিগুলোর মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন হবে।

ভোটাররা এইবার পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচন ছাড়াও নতুন সংবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত গণভোটে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০১৪ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পাঁচ বছর পর্যন্ত সামরিক শাসন চালিয়ে যাওয়ার পর, ২০২৭ সালে সামরিক সরকার দ্বারা রচিত সংবিধান কার্যকর হয়। এই সংবিধানে অনির্বাচিত সংস্থাগুলোর, বিশেষত সেনেটের, অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা বহু থাই নাগরিকের মধ্যে পরিবর্তনের ইচ্ছা জাগিয়ে তুলেছে।

একজন থাই নাগরিকের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে এবং তিনি একরকম অবস্থায় থাকা অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। এই মতামত দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত যখন জোট গঠন ও সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নগুলো সমাধান করা হবে।

সংক্ষেপে, অনুতিনের দল প্রাথমিক গণনায় অগ্রগতি দেখিয়ে থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক দৃশ্যে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। জোট গঠনের আলোচনার পরবর্তী ধাপ এবং সংবিধান সংশোধনের ফলাফল দেশের শাসনব্যবস্থার কাঠামোকে পুনর্গঠন করতে পারে, যা দেশের নাগরিকদের প্রত্যাশা ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments