শিক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে যে, দেশের ১,৭১৯টি বেসরকারি স্কুল ও কলেজকে প্রথম পর্যায়ে এমপিও (মিনিস্ট্রি অফ পাবলিক অর্ডার) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী কাঠামোকে সরকারি নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য করা, যাতে শিক্ষার গুণগত মান ও বেতন কাঠামো সমান হয়। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে বলে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, যা সময়সীমা কমিয়ে দ্রুত ফলাফল দেয়। শেষ পর্যন্ত, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি এমপিও কাঠামোর অধীনে আনতে এই ধাপটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি গঠন করবে।
প্রথম ধাপে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা চূড়ান্ত করার আগে, মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদন চেয়ে একটি পত্র পাঠিয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদনকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়ন করা হবে, যাতে মানবিক ত্রুটি কমে এবং প্রক্রিয়া স্বচ্ছ থাকে। এই ডিজিটাল পদ্ধতি ডেটা এন্ট্রি ও যাচাইয়ের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ের তালিকা আগামী মাসের শেষের দিকে প্রকাশের লক্ষ্য রাখছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মোট ৩,৬১৫টি আবেদন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক স্তরে ৮৫৯টি, মাধ্যমিক স্তরে ১,১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬৮৭টি আবেদন জমা হয়েছে। স্নাতক (পাস) বিভাগে ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) বিভাগে ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর স্তরে ৪৫টি আবেদন অন্তর্ভুক্ত। আবেদনগুলো দেশের বিভিন্ন জেলা ও শহরে সমানভাবে ছড়িয়ে রয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এমপিও নীতিমালা‑২০২৫ অনুযায়ী, আঞ্চলিক সমতা, গ্রেডিং এবং অন্যান্য নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে ১,৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম পর্যায়ের জন্য উপযুক্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
চূ



