26 C
Dhaka
Sunday, February 8, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসাদিক কায়েম: ভোটকেন্দ্র রক্ষায় তরুণদের দায়িত্ব, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জামায়াত-এ-ইসলামি জয়

সাদিক কায়েম: ভোটকেন্দ্র রক্ষায় তরুণদের দায়িত্ব, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জামায়াত-এ-ইসলামি জয়

সাদিক কায়েম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কালিগঞ্জ উপজেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একটি নির্বাচনী জনসভায় তরুণদের ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে দিল্লির কিছু গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র ও হুমকি চালিয়ে যাচ্ছে, তাই প্রতিটি কেন্দ্রকে নিরাপদ রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এই জনসভা জামায়াত-এ-ইসলামি কালিগঞ্জ উপজেলা শাখা আয়োজিত করে, যেখানে সাদিক কায়েমের পাশাপাশি স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। তিনি ভোটারদের স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটদান নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল আচরণ দাবি করেন।

কায়েমের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত নির্বাচনে জামায়াত-এ-ইসলামি প্রার্থীকে সমর্থন করা দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। তিনি ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলকে ১৮ কোটি মানুষের সমর্থন অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করতে উৎসাহিত করেন, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক জয় নয়, সমগ্র জনগণের জয়কে অগ্রাধিকার দিতে বলেন।

জনসভায় তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই বিপ্লবের মূল পরিকল্পনাকারী গাজীরা, শহীদ আবু সাঈদ এবং শহীদ আলী রায়হান। গত ১৬ বছরে কালিগঞ্জে যারা প্রাণ দিয়েছেন, বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, মায়েদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে এবং ভাইদের হত্যা হয়েছে, তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হয়েছে, এ কথায় তিনি দেশের ভবিষ্যৎকে ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে গড়ার আহ্বান জানান।

সাদিক কায়েমের বক্তব্যের পর, জামায়াত-এ-ইসলামি কালিগঞ্জ উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্থানীয় নেতারা মঞ্চে উঠে কথা বলেন। সংসদীয় আসনের প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জামায়াতের উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ আসনের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান এবং সাবেক সংসদ সদস্য স. ম. সালাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই কায়েমের আহ্বানকে সমর্থন করে, ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

কায়েমের মতে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভোটারদের স্বেচ্ছা ও স্বচ্ছ ভোটদান বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করেন, নির্বাচনের পূর্বে এবং চলাকালীন সময়ে কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে, যাতে কোনো হুমকি বা সহিংসতা না ঘটে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখতে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।

আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সাদিক কায়েমের বার্তা স্পষ্ট: তরুণদের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের পাহারা দেওয়া, হুমকি মোকাবেলা করা এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, আল্লাহর ইচ্ছা হলে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে এবং দেশের ভবিষ্যৎ ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে।

জনসভার শেষ পর্যায়ে কায়েম ভোটারদের “দাঁড়িপাল্লা” প্রতীকে ভোট দিতে এবং জামায়াত-এ-ইসলামির চারটি আসনের প্রার্থীকে সমর্থন করতে আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রতীক দেশের স্বনির্ভরতা ও অখণ্ডতা নির্দেশ করে, তাই ভোটের মাধ্যমে তা রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।

সামগ্রিকভাবে, সাদিক কায়েমের বক্তব্য এবং স্থানীয় নেতাদের সমর্থন একত্রে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়তা এবং নির্বাচন কমিশনের ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে এই আহ্বান কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা দেশের রাজনৈতিক পরিসরে নতুন দিক নির্ধারণ করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments