14.5 C
Dhaka
Sunday, February 8, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি নেতা আমীর খসরু ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে গুম‑খুন‑কারাবরণের জবাবের আহ্বান জানান

বিএনপি নেতা আমীর খসরু ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে গুম‑খুন‑কারাবরণের জবাবের আহ্বান জানান

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম‑১১ আসনের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় গুম‑খুন ও কারাবরণের পূর্ণ জবাবের দাবি তুলে ধরেন। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগে এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে সরকারের প্রতি তীব্র আহ্বান জানান।

সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়জি উপস্থিত ছিলেন এবং চট্টগ্রাম (উত্তর) জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছালাউদ্দিন সভার সভাপতিত্ব করেন। এ সভা চট্টগ্রাম‑২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সমর্থনে আয়োজন করা হয়।

আলোচনার সময় আমীর খসরু জোর দিয়ে বলেন, ভোটে জয় শুধু জয় নয়, বিশাল ব্যবধানে জয় অর্জন করা দরকার যাতে দেশের মানুষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে যায়। তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ অনুসারে, ভোটের সময় ধর্মীয় নামাজের পরে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

খসরু আরও উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র একটি ভোটের দিন নয়; এটি দেশের জনগণের স্বায়ত্তশাসন পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তিনি বলেন, এই দিনটি গণতন্ত্রের পুনর্স্থাপনা, সংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার গঠনের জন্য অপরিহার্য।

বিএনপি নেতা দেশের জন্য একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার প্রয়োজন, যা জনগণের কাছে দায়িত্বশীল থাকবে, এ কথায় তিনি জোর দেন। এ ধরনের সরকারই নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ ঘুম নিশ্চিত করতে পারে। তাই তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকে দেশের শান্তি, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক সম্মানবোধের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

খসরু বলেন, বাংলাদেশি জনগণ উন্নত জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান, শিক্ষিত ও মেধাবী জাতি গড়ে তোলার প্রত্যাশা রাখে। তিনি যুক্তি দেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে একটি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা অপরিহার্য।

এই র্যালি ও জনসভার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে, বিশাল ব্যবধানে জয় অর্জন করা হলে বিএনপির জন্য ভোটের ফলাফলকে একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট হিসেবে ব্যবহার করে দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও মানবাধিকার সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানে চাপ বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, রুলিং পার্টি আওয়ামী লীগ যদি ভোটের ফলাফলকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে, তবে তারা বিদ্যমান নীতিগুলো বজায় রাখার সুযোগ পাবে।

সাময়িকভাবে, রুলিং পার্টি থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে নির্বাচনের পূর্বে উভয় পক্ষের জন্যই ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে, গুম‑খুন‑কারাবরণের বিষয়টি নির্বাচন প্রচারণার কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে এবং ভোটের পরবর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় এর সমাধান প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিএনপি নেতা আমীর খসরু শেষ করে বলেন, দেশের মানুষ শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সার্বভৌমত্বের অধিকার পুনরুদ্ধার করতে চায়; এ লক্ষ্যে ভোটের দিনটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা উচিত।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments