রেনেসের ২০ বছর বয়সী ডিফেন্ডার জেরেমি জ্যাকেট লেন্সের বিরুদ্ধে লিগ ১ ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে অস্বাভাবিকভাবে পড়ে কাঁধে আঘাত পেয়েছেন। ম্যাচটি ৩-১ স্কোরে রেনেসের হারে শেষ হওয়ায় জ্যাকেটের অবস্থা তৎক্ষণাৎ উদ্বেগের বিষয় হয়ে ওঠে।
রেনেসের প্রধান কোচ হাবিব বেয়ে পোস্ট-ম্যাচে জানিয়েছেন, “জেরেমির কাঁধের আঘাত গুরুতর, আর আবদেলহামিদের (আবদেলহামিদ আইত বৌদলাল) পেশীজনিত সমস্যা ততটা নয়, তবে দুজনেরই পুনরুদ্ধার সময় লাগবে।” তিনি দুজনের অবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
লিভারপুলের সঙ্গে জ্যাকেটের চুক্তি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ক্লাব ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে জ্যাকেটকে £৫৫ মিলিয়ন মূলধন ও অতিরিক্ত £৫ মিলিয়ন শর্তে স্বাক্ষর করেছে, এবং এক বছর অতিরিক্ত বিকল্প রয়েছে। আর্নে স্লট, লিভারপুলের প্রধান কোচ, জ্যাকেটকে “বহু বড় প্রতিভা, এমনকি তার বয়সের কারণে তাকে শুধু প্রতিভা নয়, সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হয়” বলে প্রশংসা করেছেন।
লেন্সের ম্যাচে রেনেসের প্রথম গোলটি এস্টেবান লেপল ১০তম সিজন গোল হিসেবে নিকট উত্তর ফ্রান্সের ঘরে গড়ে তোলেন। তিনি আরনড নর্ডিনের পাসে স্লাইড করে বলটি জালে পাঠিয়ে স্কোর বাড়িয়ে দেন।
অর্ধেকের আগে ওডসোনে এডোয়ার্ড লেন্সের সমান স্কোর করে দলকে সমান অবস্থানে নিয়ে আসেন, যা ম্যাচের গতি পরিবর্তন করে।
দ্বিতীয়ার্ধের আট মিনিটে রুবেন আগুইলার ফ্লোরিয়ান থাউভিনের ক্রস থেকে হেডার মারেন এবং লেন্সকে এক গোলের সুবিধা দেন। তবে আগুইলার দ্বিতীয় হলুদ পায়ে শীঘ্রই রেড কার্ড পান, ফলে দলটি দশজন খেলোয়াড়ে রূপান্তরিত হয়।
দশজনের রক্ষায় লেন্সের আক্রমণাত্মক শক্তি কমে না; প্রাক্তন নিউক্যাসল উইংার অ্যালান সাঁ-ম্যাক্সিমিন তৃতীয় গোল করে ম্যাচের ফলাফল ৩-১ করে নিশ্চিত করেন।
লেন্সের এই জয় তাদের সাম্প্রতিক ফর্মকে আরও শক্তিশালী করে। তারা শেষ ১১টি লিগ ম্যাচের মধ্যে ১০টি জিতেছে এবং প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনের উপর এক পয়েন্টের অগ্রগতি বজায় রেখেছে। প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন আগামী রবিবার পার্ক দে প্রিন্সে মার্সেইলের সঙ্গে মুখোমুখি হবে।
ইউরোপীয় ফুটবলের অন্য দিক থেকে, বার্সেলোনা মায়োরকা কে ৩-০ স্কোরে পরাজিত করে লা লিগার শীর্ষে তার নেতৃত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। হ্যান্সি ফ্লিকের দলে শুরুর থেকেই বলের দখল বজায় রেখে ম্যাচটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
সারসংক্ষেপে, রেনেসের জেরেমি জ্যাকেটের কাঁধের আঘাত তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য উদ্বেগের বিষয়, তবে লিভারপুলের সঙ্গে চুক্তি ইতিমধ্যে নিশ্চিত। একই সময়ে লেন্সের ধারাবাহিক জয় এবং বার্সেলোনার জয় ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষে নতুন গতিপথ গড়ে তুলছে।



