এভারটন এবং ফুলহ্যাম ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ৭ তারিখে লন্ডনের স্ট্যাডিয়ামে মুখোমুখি হয়। প্রথমার্ধে ফুলহ্যাম ১-০ নিয়ে এগিয়ে থাকলেও শেষের দিকে এভারটন সমতা অর্জন করে এবং নিজের গোলের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচের ফলাফল এভারটনকে সপ্তম স্থানে নিয়ে যায়। উভয় দলই শুরুর সময় সমান পয়েন্টে ছিল।
ফুলহ্যাম শুরুর দিক থেকে নিয়ন্ত্রণে ছিল, মারকো সিলভা দলের আধিপত্যকে আরও কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। রায়ান সেসেগনন বামফ্ল্যাঙ্কে গতিশীলতা যোগ করছিল, এমিল স্মিথ রোউ ডিফেন্সের পিছনে সৃজনশীলতা দেখিয়েছিল। এভারটনের ডেভিড ময়েসের দল প্রতিরোধে দৃঢ় ছিল, তবে দ্রুতগতির ফুলহ্যামের চলাচল তাদেরকে পিছিয়ে ফেলেছিল।
জেমস গার্নার ফ্রি-কিক থেকে লেনোকে পরীক্ষা করে প্রথম শট মারেন, তবে গোল না হয়। কোণার থেকে জেক ও’ব্রায়ান হেডার দিয়ে পোস্টে আঘাত করেন, তবে গোলের সুযোগ মিস করেন। এই মুহূর্তে ফুলহ্যাম আরও আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়।
ও’ব্রায়ান ডিফেন্সে ফিরে স্যান্ডার বার্জের হুমকি থেকে রক্ষা করেন, লাইন ভাঙা রোধ করেন। এভারটন মাঝখানে তীব্র লড়াই চালিয়ে যায়, তবে ফুলহ্যামের দলগত চালনা ১৮তম মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি করে।
ফুলহ্যামের দুই নাইজেরিয়ান আন্তর্জাতিক—স্যামুয়েল চুকুয়েজ এবং অ্যালেক্স ইওবির সংযোগে চিপ পাস হয়, ইওবি এলাকায় প্রবেশ করে। রাউল জিমেনেজ শুট করে জর্ডান পিকফোর্ডের দিকে, তবে বল ভিটালি মাইকোলেনকোর দিকে বাউন্স করে বাম ব্যাকের নিচে নিজের গোল হয়ে যায়। এই গোলটি প্রথমার্ধের একমাত্র গোল, ফলে ফুলহ্যাম ১-০ নিয়ে বিরতি নেয়।
প্রথমার্ধে ফুলহ্যামের আধিপত্যের প্রশংসা করা হয়, তবে এভারটন কোচ ডেভিড ময়েসের দল পুনরুদ্ধারের সংকেত দেয়। উভয় দলে মিডফিল্ডের লড়াই তীব্র ছিল, এবং শুটিং সুযোগ সীমিত থাকলেও উভয় পক্ষই আক্রমণ চালিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে এভারটন দ্রুত আক্রমণ শুরু করে। ৭৫তম মিনিটে কিয়ারনান ডিউসবুরি-হল সমতা গড়ে তোলেন, তিনি গোলের জন্য পাসের শেষ প্রান্তে দৌড়ে গিয়ে বলকে জালে পাঠান। এই গোলের ফলে স্কোর ১-১ হয়ে যায় এবং এভারটনের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
সমতা অর্জনের পর এভারটন আরও চাপ বাড়ায়, কিন্তু বার্ন্ড লেনো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ভুল করেন। প্রথমটি ছিল কোণার কিকের সময় নিজের জালে বল পাঞ্চ করা, যা গোলের সুযোগ দেয় না। তবে আট মিনিট পরে, একই গার্ডেনার কিকের সময় লেনো ভুল করে কোণার বলকে নিজের নেটের দিকে ঠেলে দেন, ফলে নিজের গোল হয়ে যায়।
শেষের ফলাফল এভারটন ২-১ দিয়ে জয়লাভ করে, ফলে তারা টেবিলে সপ্তম স্থানে উঠে আসে। ফুলহ্যাম প্রথমার্ধে নেতৃত্বে থাকলেও শেষের মুহূর্তে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। উভয় দলই শুরুর সময় সমান পয়েন্টে ছিল, তবে এই জয় এভারটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এভারটন পরবর্তী ম্যাচে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, যখন ফুলহ্যামও তাদের পরবর্তী লিগ গেমের প্রস্তুতি নেবে। উভয় দলের কোচরা দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ গেমে উন্নতি করার পরিকল্পনা করবেন।



