19.8 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতরিকের রহমান উত্তরাঞ্চলে কৃষি-ভিত্তিক শিল্পের পরিকল্পনা ঘোষণা

তরিকের রহমান উত্তরাঞ্চলে কৃষি-ভিত্তিক শিল্পের পরিকল্পনা ঘোষণা

বিএনপি চেয়ারপার্সন তরিকের রহমান আজ থাকুরগাঁও সরকারি বয়স হাই স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে উত্তরাঞ্চলের থাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে কৃষি-ভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলগুলো প্রধানত কৃষি ভিত্তিক এবং স্থানীয় জনসংখ্যার জন্য গুণগত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।

তরিকের বলেন, কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে কৃষি ঋণ মওকুফের পাশাপাশি এখানে মিল ও কারখানা সহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আঞ্চলিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা লক্ষ্য।

উল্লেখযোগ্য যে, উত্তরাঞ্চলে শিক্ষিত যুবক-যুবতী সংখ্যা বেশি হলেও বেকারত্বের হার বাড়ছে। তরিকের এ কথা জোর দিয়ে বলেন, যুবকদের জন্য কৃষি, যন্ত্রপাতি বা অন্যান্য পেশার প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা দক্ষ কর্মী হিসেবে স্থানীয় বা বিদেশি বাজারে কাজ পেতে পারে।

শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তিনি দেশের খাদ্য স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে চান। তরিকের রাষ্ট্রীয় স্বাবলম্বন নিশ্চিত করতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি নারীদের শিক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসনও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান।

রেলি-তে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে তরিকের বলেন, দেশের প্রকৃত মালিক হলেন জনগণ এবং তাদের সমর্থন ছাড়া এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তিনি ভোটের সময় “ধানের গুচ্ছ” চিহ্নের মাধ্যমে সমর্থন চেয়ে বলেন, “আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন, তবে আমরা দেশের পুনর্গঠন করতে পারব।”

র্যালি শেষে উপস্থিতদের সঙ্গে আলাপের সময় তরিকের উল্লেখ করেন, সরকারী নীতিমালার অধীনে কৃষক ঋণ মওকুফের পাশাপাশি নতুন শিল্পের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, এই উদ্যোগের ফলে আঞ্চলিক বেকারত্বের হার কমে যাবে এবং যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

প্রতিপক্ষের কোনো মন্তব্য রেকর্ডে না থাকলেও, অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত এমন প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নযোগ্যতা ও তহবিলের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতে পারে। তরিকের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও নীতি সমর্থন নিশ্চিত করা হবে কিনা, তা আগামী সময়ে স্পষ্ট হবে।

তরিকের এই ঘোষণার পর, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষক গোষ্ঠী থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠা হলে কৃষি পণ্যের প্রক্রিয়াকরণে সুযোগ বাড়বে এবং আয় বৃদ্ধি পাবে।

অন্যদিকে, শ্রমিক সংগঠনগুলো কর্মসংস্থান গঠনের সময় ন্যায্য মজুরি ও শ্রমিক অধিকার রক্ষার দাবি জানাতে পারে। তরিকের উল্লেখিত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামগুলো যদি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বিএনপি এই ঘোষণার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে কৃষি-শিল্প সংযোগের মাধ্যমে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। তরিকের বলেন, “আমরা দেশের পুনর্গঠনে সবাইকে সঙ্গে নিতে চাই, তাই আপনারা আমাদের সমর্থন করুন।”

এই র্যালি এবং তরিকের ঘোষণার পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি-শিল্পের সমন্বয় যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি স্থানীয় ভোটের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারী অনুমোদন, বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন হবে।

সারসংক্ষেপে, তরিকের রহমানের আজকের প্রতিশ্রুতি উত্তরাঞ্চলের কৃষি-ভিত্তিক শিল্প বিকাশ, যুব প্রশিক্ষণ, ঋণ মওকুফ এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের দিকে কেন্দ্রীভূত। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন, আর্থিক সম্পদ এবং কার্যকর নীতি প্রয়োজন, যা ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments