জাতীয় রাজনীতিবিদ জাবের ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বিবৃতিতে জাতিসংঘে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, চিঠিতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনের প্রয়োজনীয় শর্তাবলী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হবে।
জাবেরের মতে, আন্তর্জাতিক সংস্থার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়সঙ্গততা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চিঠিতে “আমাদের কথাগুলো থাকতে হবে” বলে, দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য স্পষ্ট ও নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন করা অপরিহার্য।
এই দাবি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে, জাবের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত আসন্ন নির্বাচনের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করার প্রস্তাবও দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন না হলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে।
জাতিসংঘের প্রতি চিঠি পাঠানোর বিষয়টি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে, এখন পর্যন্ত জামাত, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সহ প্রধান দলগুলোর কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কিছু বিশ্লেষক উল্লেখ করেছেন, জাবেরের এই পদক্ষেপের পেছনে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্পষ্ট মতামত এখনো প্রকাশিত হয়নি।
অধিকন্তু, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও বিরোধী দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইনকিলাব মঞ্চে পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনাগুলি রাজনৈতিক পরিবেশের অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
জাবেরের চিঠি পাঠানোর সময়সীমা ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হওয়ায়, সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চিঠিতে দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নির্বাচন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে।
জাতিসংঘের দিক থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়নি। তবে, আন্তর্জাতিক সংস্থার মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষণ দায়িত্বের আলোকে, জাবেরের চিঠি যদি সময়মতো পাঠানো হয়, তবে তা দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
পরবর্তী ধাপ হিসেবে, জাবেরের দল চিঠি প্রস্তুত করার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত পাঠানো হবে। একই সঙ্গে, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এইসব developments এর প্রেক্ষিতে, দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্কতা প্রকাশ করেছেন যে, যদি জাতিসংঘের কাছ থেকে যথাযথ সমর্থন না পাওয়া যায়, তবে নির্বাচনের সময়সূচি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন হতে পারে। তবে, জাবেরের মতে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা ছাড়া দেশের স্বায়ত্তশাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখা কঠিন হবে।
সংক্ষেপে, জাবেরের দাবি জাতিসংঘে চিঠি পাঠিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্পষ্ট করা এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত নির্বাচনের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করার দিকে কেন্দ্রীভূত। এই পদক্ষেপের ফলাফল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



