26.9 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিবিথাম্বের ত্রুটিতে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো

বিথাম্বের ত্রুটিতে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বিথাম্ব শুক্রবার একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফলে ৬২০,০০০ বিটকয়েন, যা বর্তমান বাজারে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যমানের, ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে পাঠায়। এই অপ্রত্যাশিত লেনদেনের ফলে প্ল্যাটফর্মে স্বল্প সময়ের জন্য বিক্রয় চাপ সৃষ্টি হয়। বিথাম্বের মুখ্য দায়িত্বশীলরা ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

বিথাম্বের প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, প্রচারমূলক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে প্রতিটি গ্রাহককে প্রায় ২,০০০ ওন (প্রায় ১.৩৭ ডলার) প্রদান করার পরিকল্পনা ছিল। তবে সিস্টেমের ভুল গণনা ফলে প্রায় ২,০০০ বিটকয়েন, অর্থাৎ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য লক্ষ লক্ষ ডলারের সমান পরিমাণ, ভুলভাবে স্থানান্তরিত হয়। মোট ৬৯৫ জন ব্যবহারকারী এই ত্রুটির শিকার হয়।

ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার ৩৫ মিনিটের মধ্যে বিথাম্ব সমস্ত প্রভাবিত অ্যাকাউন্টের জন্য ট্রেডিং ও উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত করে। একই সঙ্গে কোম্পানি একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

বিথাম্বের তথ্য অনুযায়ী, প্রেরিত বিটকয়েনের ৯৯.৭ শতাংশ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বাকি থাকা ক্ষতির জন্য কোম্পানি নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে বলে জানায়।

এই অপ্রত্যাশিত লেনদেনের ফলে বিটকয়েনের দাম প্ল্যাটফর্মে তীব্রভাবে নেমে যায়, সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৮১.১ মিলিয়ন ওনে পৌঁছায়। তবে বিথাম্বের দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে দাম পুনরায় স্থিতিশীল হয়।

বিথাম্ব স্পষ্ট করে জানায় যে এই ঘটনা কোনো বাহ্যিক হ্যাকিং বা নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ফল নয়; সম্পূর্ণভাবে অভ্যন্তরীণ সিস্টেমের ত্রুটির কারণে ঘটেছে।

বিশ্বব্যাপী বিটকয়েনের মূল্য এই সপ্তাহে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা নভেম্বর ২০২৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিজয় পরবর্তী অর্জিত লাভকে মুছে ফেলেছে। এই পতন ক্রিপ্টো বাজারের অস্থিরতাকে আবারও তুলে ধরেছে।

বিথাম্বের এই ঘটনা ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জের পরিচালনাগত ঝুঁকির গুরুত্বকে পুনরায় জোর দেয়। স্বয়ংক্রিয় লেনদেনের সঠিক ক্যালিব্রেশন, ত্রুটি সনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রোটোকল শক্তিশালী না হলে বৃহৎ আর্থিক ক্ষতি ঘটতে পারে।

বিথাম্বের দ্রুত পদক্ষেপ এবং ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনা ব্যবহারকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই ঘটনার পর শিল্পে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বাড়বে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments