26.9 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠক ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নির্ধারিত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠক ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নির্ধারিত

ওয়াশিংটন – যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস গাজা সংক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের “Board of Peace”-এর প্রথম শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই সভা ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে এবং গাজা পুনর্নির্মাণের তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করা হবে। বৈঠকের স্থান নির্ধারিত হয়েছে ইউ.এস. ইনস্টিটিউট অফ পিসে, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গবেষণার কেন্দ্র।

বৈঠকের প্রস্তুতি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং পরিকল্পনা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়ে গেছে। হোয়াইট হাউস ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্যের অনুরোধের জবাব পাওয়া যায়নি।

বৈঠকের ঠিক এক দিন আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এই দু’দিনের ধারাবাহিকতা গাজা সংক্রান্ত আলোচনার গুরুত্বকে তুলে ধরছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত “Board of Peace” শেষ জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। ট্রাম্পের মতে, বোর্ডটি বৈশ্বিক সংঘাত সমাধানে কাজ করবে, তবে বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে জাতিসংঘের ভূমিকা হ্রাসের ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া মিশ্র। মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মিত্র দেশ ইতিমধ্যে বোর্ডে যোগ দিয়েছে, তবে ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো এখনো অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে।

মধ্য নভেম্বরের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে বোর্ড ও তার অংশীদার দেশগুলোকে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠন করার অনুমোদন দেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পরই অক্টোবর মাসে গাজায় একটি দুর্বল অস্ত্রবিরতি শুরু হয়, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ইসরায়েল ও হামাসের স্বাক্ষরে কার্যকর হয়।

প্রাথমিকভাবে বোর্ডটি গাজার অস্থায়ী শাসনব্যবস্থা তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত হয়েছিল, তবে পরে এটিকে বৈশ্বিক সংঘাত সমাধানের জন্য বিস্তৃত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বোর্ডের কাঠামোকে ঔপনিবেশিক শাসনের নকশা বলে সমালোচনা করছেন এবং উল্লেখ করছেন যে এতে কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই ঘাটতি বোর্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

অস্ত্রবিরতির পর থেকে গাজায় ধারাবাহিক লঙ্ঘনের ফলে ৫৫০টিরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং চারজন ইসরায়েলি সৈন্যের মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে। এই সংখ্যা গাজার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা নির্দেশ করে।

এই বৈঠক গাজা পুনর্নির্মাণের তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক প্রভাবকে পুনর্গঠন করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হতে পারে। বৈঠকের ফলাফল ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং গাজা অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।

পরবর্তী ধাপ হিসেবে, বৈঠকের এজেন্ডা ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে যে এই সভা গাজা পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন সমন্বয় গড়ে তুলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments