17 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ: জামুনা আশেপাশে গুলিবর্ষণ না করে প্রতিবাদকারী বিচ্ছিন্ন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ: জামুনা আশেপাশে গুলিবর্ষণ না করে প্রতিবাদকারী বিচ্ছিন্ন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) শুক্রবার রাজধানীর জামুনা রাষ্ট্রীয় অতিথি গৃহের নিকটবর্তী এলাকায় প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ না করে আইনসঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণের তথ্য জানায়। গুলিবর্ষণ না করা সত্ত্বেও গ্যাস ও শব্দ গ্রেনেড ব্যবহার করে সমাবেশকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন দাবি নিয়ে জামুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে, যদিও ওই এলাকায় সমাবেশ, রেলি, জনসমাবেশ ও প্রতিবাদ নিষিদ্ধ। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

বৈধ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কয়েকটি দল গুলিবর্ষণ না করে গ্যাস ব্যবহার করে প্রতিবাদকে অগ্রসর করার চেষ্টা করে। তারা পুলিশ গঠন করা বাধা পার হয়ে জামুনা দিকের দিকে এগোতে চায়, ফলে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুলিবর্ষণ বা গুলির ব্যবহার না করে, গ্যাস শেল ও শব্দ গ্রেনেডের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। গ্যাস শেল এবং শব্দ গ্রেনেডের ব্যবহার সাময়িকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাসের অস্বস্তি ও শোরগোল সৃষ্টি করলেও কোনো প্রাণঘাতী ফলাফল ঘটেনি।

প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ না করা, গ্যাস ও শব্দ গ্রেনেডের ব্যবহারই একমাত্র শৃঙ্খলা রক্ষার পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গুলিবর্ষণ না করা মানে কোনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করা, যা নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হন, পাশাপাশি কিছু প্রতিবাদকারীও হালকা আঘাত পেয়ে গ্যাসের প্রভাবে অস্থায়ী অস্বস্তি অনুভব করেন। তবে কোনো গুরুতর আঘাতের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি, এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভুল তথ্য ও গুজবের দিকে ইঙ্গিত করে, যা বিষয়টি বিকৃত করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত হচ্ছে বলে জানায়। এসব তথ্যকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ বলে চিহ্নিত করে, সঠিক তথ্যের প্রচার ও জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈধভাবে নিষিদ্ধ সমাবেশের বিরুদ্ধে গৃহীত এই পদক্ষেপটি আইনগত ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংস্থা জোর দেয়। সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি কমে।

প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জামুনা এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমাবেশ নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সমন্বয় করে, সম্ভাব্য হিংসাত্মক ঘটনার পূর্বে রোধ করতে লক্ষ্য রাখে।

প্রতিবাদকারীদের বিচ্ছিন্ন করার পর, নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটিকে পুনরায় শৃঙ্খলাবদ্ধ করে এবং সাধারণ নাগরিকদের চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। পুলিশ বলেছে, সমাবেশের কোনো পুনরাবৃত্তি হলে একই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এই ঘটনার পর, নিরাপত্তা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সমাবেশ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে জনশান্তি বজায় থাকে।

সামগ্রিকভাবে, জামুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গুলিবর্ষণ না করে গ্যাস ও শব্দ গ্রেনেডের মাধ্যমে প্রতিবাদকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, এবং কোনো প্রাণঘাতী ফলাফল ঘটেনি। নিরাপত্তা সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, আইনগতভাবে সমাবেশ নিষিদ্ধ এলাকায় গুলিবর্ষণ না করা একটি সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নীতি অনুসরণ করে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments