17 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযমুনা সমীপে বিক্ষোভে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, গুলি না ছোড়া – প্রধান...

যমুনা সমীপে বিক্ষোভে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, গুলি না ছোড়া – প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের দাবি

গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের সামনে যমুনা নদীর ধারে বিকাল ৪টায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে বিক্ষোভে সশস্ত্র হস্তক্ষেপের কোনো রেকর্ড না থাকায় প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর আজ (বৃহস্পতিবার) একটি বিবৃতি জারি করেছে। সরকার জানায়, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গুলি ব্যবহার করা হয়নি; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবি জানাতে সমাবেশের আয়োজন করেন। সমাবেশের অংশগ্রহণকারীরা রওনা হওয়ার পর পুলিশ সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন, ফলে কয়েকজন আহত হন।

প্রতিবাদীরা যমুনা দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি হয়। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে তার ফেসবুক পেজে পোস্ট প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন যে তার দেহে কোনো গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি।

আহতদের মধ্যে শারীরিক আঘাতের পাশাপাশি মানসিক চাপের লক্ষণও দেখা দেয়, ফলে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। একই সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন, যা শহরের ট্র্যাফিকেও প্রভাবিত করে।

অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, যমুনা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রথমে কোনো বলপ্রয়োগ করা হয়নি। তবে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে নদীর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে।

সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন, যমুনা এবং সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। এই বিধান অনুসারে পুলিশ আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানায়, মোট ২৩ জন চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরও অন্তর্ভুক্ত। সব রোগীর শারীরিক পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন যে গুলির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

বিক্ষোভের মূল দাবি শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত বিচারের দিকে কেন্দ্রীভূত। সরকার এই বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপকে সরকার বৈধ ও প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেছে। ভবিষ্যতে একই ধরনের বিক্ষোভে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা এবং আইনগত বিধান শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে ইনকিলাব মঞ্চের দাবিগুলি সরকারকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলতে পারে, তবে গুলি না ছোড়ার দাবি নিরাপত্তা বাহিনীর সুনাম রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরবর্তী ধাপে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফল এবং হাদির হত্যার মামলায় আদালতের রায়ের অপেক্ষা থাকবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments