24 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি রোববারের ঢাকা কেন্দ্রীয় জনসভা বাতিল করে নির্বাচনী কৌশল পরিবর্তন ঘোষণা

বিএনপি রোববারের ঢাকা কেন্দ্রীয় জনসভা বাতিল করে নির্বাচনী কৌশল পরিবর্তন ঘোষণা

বিএনপি ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবারের জন্য নির্ধারিত ঢাকা শহরের কেন্দ্রীয় জনসভা বাতিল করে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার দিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। দলটি দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের নির্বাচনী কার্যক্রমে তীব্রতা আনতে এবং স্থানীয় স্তরে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

রবিবারের আগে, ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে নোয়াপল্টনের দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলীয় নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের সভার পর ৮ তারিখের সমাবেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পূর্বে ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পর্যালোচনা করে দলটি নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে।

বিএনপি জানায়, পূর্বে ৫ ফেব্রুয়ারি একটি বড় জনসভা পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যেখানে রাজপথে বিশাল সমাবেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী ভারসাম্য রক্ষা করতে দলটি এখন ঢাকা বাইরের ছোট ও মাঝারি আকারের জনসভা আয়োজন করবে।

কেন্দ্রীয় সমাবেশের পরিবর্তে, দলীয় চেয়ারপার্সন তারেক রহমান উত্তর ও দক্ষিণের নির্বাচনী এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলবেন। তারেকের এই সফর ভোট ব্যাংক সংহত করার পাশাপাশি স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্য রাখে।

বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছানোর জন্য এই পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেছে। দলীয় নীতি-নির্ধারণী মহল উল্লেখ করে, ঢাকা মহানগরের বাইরে জনসভার মাধ্যমে প্রচারণা শক্তিশালী করা হলে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ আরও দৃঢ় হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, নির্বাচনী ডামাডোলের শেষ পর্যায়ে শীর্ষ নেতৃত্বের ঢাকা বাইরের সফরগুলো ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভোট ব্যাংক গঠন ও সংহত করার জন্য তারেকের সফর সূচি বাড়ানো হয়েছে।

বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই কৌশলগত পরিবর্তনকে একটি নতুন দিক হিসেবে উপস্থাপন করেছে। দলটি দাবি করে, কেন্দ্রীয় সমাবেশের পরিবর্তে স্থানীয় স্তরে ছোট জনসভা আয়োজন করলে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়বে এবং নির্বাচনী প্রচারণার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।

দলীয় কর্মকর্তারা জানান, রোহুল কবির রিজভীর মতে, সমাবেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের পেছনে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং সমন্বিত প্রচারণা চালানো অন্তর্ভুক্ত।

বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন অংশে সমন্বিতভাবে প্রচারণা চালাতে চায়, যাতে ভোটারদের কাছে দলের নীতি ও পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে পৌঁছায়। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দলটি কেন্দ্রীয় সমাবেশের পরিবর্তে স্থানীয় স্তরে বেশি জনসভা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে।

বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই কৌশলগত পরিবর্তনকে একটি নতুন দিক হিসেবে উপস্থাপন করেছে। দলটি দাবি করে, কেন্দ্রীয় সমাবেশের পরিবর্তে স্থানীয় স্তরে ছোট জনসভা আয়োজন করলে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়বে এবং নির্বাচনী প্রচারণার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।

দলীয় নীতি-নির্ধারণী মহল উল্লেখ করে, ঢাকা মহানগরের বাইরে জনসভার মাধ্যমে প্রচারণা শক্তিশালী করা হলে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ আরও দৃঢ় হবে।

এই পরিবর্তনের ফলে, নির্বাচনের আগে ঢাকায় শেষ জনসভা স্থগিত হয়েছে, তবে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অন্যান্য অঞ্চলে সক্রিয়ভাবে জনসভা পরিচালনা করা হবে।

বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দেন, এই কৌশলগত পরিবর্তন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ বাড়িয়ে দলকে নির্বাচনী দিক থেকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে ঢাকার ভোটারদের মনোযোগ বজায় রাখতে অতিরিক্ত প্রচারণা প্রয়োজন হতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments