24 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জেফ্রি এপস্টেইনের সংযোগে তদন্ত শুরু

নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জেফ্রি এপস্টেইনের সংযোগে তদন্ত শুরু

নরওয়ের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থর্নবিয়র্ন ইয়াক্লান্ডের জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ নতুন নথিতে প্রকাশিত হওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক অপরাধ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এপস্টেইনের ফাইল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইয়াক্লান্ডের সঙ্গে সংযোগের সময় তিনি নোবেল কমিটির চেয়ার এবং কাউন্সিল অফ ইউরোপের সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

নরওয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ পুলিশ (আর্কোক্রিম) এর পরিচালক পাল লোল্যেসেথ উল্লেখ করেছেন, বর্তমান নথি পর্যাপ্ত ভিত্তি প্রদান করে এবং তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। তিনি বলেন, সংযোগের সময়কালে কোনো উপহার, ঋণ বা ভ্রমণ তার সরকারি দায়িত্বের বিনিময়ে হয়েছে কিনা তা স্পষ্টভাবে যাচাই করা হবে।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে ইয়াক্লান্ডের যোগাযোগের সময়কাল এবং তার পদবী দুটোই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নোবেল কমিটির চেয়ার হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক পুরস্কার নির্বাচনে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন, আর কাউন্সিল অফ ইউরোপের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইউরোপীয় নীতি গঠনে সক্রিয় ছিলেন। এই অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে তদন্তকারী দল সম্ভাব্য লঙ্ঘনগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।

ইয়াক্লান্ডের আইনজীবী আন্দ্রে ব্রোসভিট স্পষ্ট করে বলেছেন, তার মক্কেল কোনো ধরনের পুলিশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আইনগত প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান রেখে সব প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হবে।

জেফ্রি এপস্টেইন, যিনি যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিশাল স্ক্যান্ডালের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন, তার নেটওয়ার্কে বহু উচ্চপদস্থ ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। নরওয়ের এই নতুন প্রকাশনা এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় ইয়াক্লান্ডের নাম যোগ করেছে।

নরওয়ের পুলিশ এপস্টেইনের ফাইল থেকে প্রাপ্ত নথিগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে, সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তের পরিধি নির্ধারণ করবে। তদন্তের মূল লক্ষ্য হল, ইয়াক্লান্ডের পদাধিকারের বিনিময়ে কোনো আর্থিক সুবিধা বা সুবিধা গ্রহণের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা নিশ্চিত করা।

অধিকন্তু, তদন্তকারী দল উপহারের রেকর্ড, ব্যাংক লেনদেন এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করবে। যদি কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন বা অনিয়ম পাওয়া যায়, তবে তা সংশ্লিষ্ট আইনি ধারা অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়ায় আনা হবে।

এই তদন্তের ফলে নরওয়ের রাজনৈতিক পরিবেশে সম্ভাব্য প্রভাবের কথা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি, তবে জনমত ও মিডিয়ার দৃষ্টি এই বিষয়ের দিকে তীব্রভাবে নিবদ্ধ হয়েছে।

অধিক তথ্য পাওয়া গেলে, নরওয়ের ন্যায়বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট মামলাকে আদালতে উপস্থাপন করতে পারে। বর্তমান পর্যায়ে, তদন্তের ফলাফল ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।

সারসংক্ষেপে, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও এপস্টেইনের সংযোগের প্রমাণ প্রকাশের পর, দেশের অর্থনৈতিক অপরাধ পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালু করেছে। তদন্তের মূল বিষয় হল, কোনো লঙ্ঘন, উপহার বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তার সরকারি পদবীকে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা। আইনজীবীর সহযোগিতায় তদন্ত চলমান, এবং ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নরওয়ের ন্যায়বিচার ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments