মেঘালয়ের পূর্ব জয়ন্তিয়া হিলসের একটি অবৈধ কয়লা খনিতে বৃহস্পতিবার প্রায় ১১ টায় বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনার ফলে কমপক্ষে অঠারো শ্রমিকের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং একজনকে গুরুতর পোড়া আঘাতের সঙ্গে শিলঙের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার কাজ চালু করেছে।
বিস্ফোরণটি রেট-হোল খনির পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডাইনামাইটের কারণে ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। রেট-হোল খনি হল সংকীর্ণ গুহা যেখানে শ্রমিকরা হেঁচিয়ে কাজ করে এবং ডাইনামাইট দিয়ে শিলা ভেঙে কয়লা বের করা হয়। যদিও মেঘালয়ে এই পদ্ধতির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তবু কিছু গোপন খনি এখনও কার্যকর রয়েছে।
বিস্ফোরণের পর উদ্ধার দলগুলো দ্রুত কাজ শুরু করে এবং এখন পর্যন্ত অঠারো দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত শ্রমিককে শিলঙের একটি সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাকে তীব্র জ্বালাময় আঘাতের জন্য তীব্র সেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এখনও কতজন শ্রমিক ভূগর্ভে আটকে আছে তা স্পষ্ট নয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৃত শ্রমিকের পরিবারকে প্রত্যেককে দুই লক্ষ টাকা আর আহতদের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই তহবিলের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে মৌলিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে। সহায়তার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ এখন পর্যন্ত খনির মালিকানা ও পরিচালনাকারী ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে পারেনি এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের প্রথম ধাপ হিসেবে স্থানীয় দলিল ও গৃহীত ডাইনামাইটের উৎস অনুসন্ধান করা হবে। একই সঙ্গে, মৃত ও আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজও চলমান।
মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাঙ্গমা ঘটনাটিকে “দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা এবং দোষীদের কঠোর আইনি শাস্তি দেওয়া” প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, রেট-হোল খনির অব্যাহত কার্যক্রমকে রোধ করতে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশিরভাগ মৃত শ্রমিক আসাম রাজ্য থেকে এস



