25 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলারিশাদ হোসেনের অস্ট্রেলিয়া ও বিগ ব্যাশের অভিজ্ঞতা, টি‑টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিনটি...

রিশাদ হোসেনের অস্ট্রেলিয়া ও বিগ ব্যাশের অভিজ্ঞতা, টি‑টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিনটি উইকেট

অদম্য বাংলাদেশ টি‑টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের পর রিশাদ হোসেনের সংবাদ সম্মেলনে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও বিগ ব্যাশ লিগে অর্জিত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। ম্যাচে তিনটি উইকেট নেওয়া রিশাদ, টুর্নামেন্টের সূচনা থেকেই তার বোলিং দক্ষতা তুলে ধরেছেন।

সম্মেলনের প্রধান প্রশ্নগুলো বিগ ব্যাশ ও অস্ট্রেলিয়ার শর্তাবলী নিয়ে ছিল। রিশাদ উল্লেখ করেন, অস্ট্রেলিয়ার পিচ ও পরিবেশ বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, যা খেলোয়াড়দের জন্য উচ্চতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তিনি বলেন, “শর্তগুলো ভিন্ন, গেমের গতি ও বলের আচরণই ভিন্ন স্তরে।” এই পার্থক্যই তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

বিগ ব্যাশে রিশাদের প্রথম দল ছিল হোবার্ট হারিকিন্স। তিনি সেই মৌসুমে মোট পনেরোটি উইকেট সংগ্রহ করেন, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল পর্ব হিসেবে বিবেচিত। তবে একই সময়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ব্যস্ত সময়সূচি তাকে অংশ নিতে বাধা দেয়, ফলে তিনি পুরো সিজন হোবার্টেরই সঙ্গে কাটান। গত বছর তিনি পাকিস্তান সুপার লিগেও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন, যা তার বহুমুখী অভিজ্ঞতার আরেকটি দিক।

রিশাদের মতে, অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা খুবই বিনয়ী এবং সহজে মানিয়ে নেওয়া যায়। তিনি বলেন, “বড় ক্রিকেটার হোক বা নবীন, সবাই সাদাসিধে এবং সহজে যোগাযোগযোগ্য।” এই পরিবেশে তিনি স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। তার এই মন্তব্যগুলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সম্প্রদায়ের প্রতি ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের তরুণ প্রতিভা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়া জিজ্ঞাসা করেছিল, কেন তারা বিদেশে বেশি না খেলছে। রিশাদ উত্তর দেন, “বাংলাদেশে প্রচুর প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, সুযোগের দরজা খুললে তারা অবশ্যই বিদেশে খেলবে।” তিনি এ কথায় ইঙ্গিত দেন যে ভবিষ্যতে আরও বাংলাদেশি ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক লিগে অংশ নিতে পারে।

রিশাদ হোসেনের বোলিং পারফরম্যান্স শুধু তার নিজের সাফল্য নয়, দেশের ক্রিকেটের জন্যও গর্বের বিষয়। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সম্প্রদায়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে, এবং রিশাদের অভিজ্ঞতা এই সংযোগকে শক্তিশালী করছে। তিনি যোগ করেন, “অস্ট্রেলিয়ার কোচ ও খেলোয়াড়রা আমাদের শর্তাবলী ও স্টাইল সম্পর্কে জানতে চায়, যা আমাদের জন্য একটি সম্মান।”

আসন্ন ম্যাচগুলোতে রিশাদের দলকে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে তার বোলিং ফর্ম ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টি‑টোয়েন্টি কাপের পরবর্তী রাউন্ডে তিনি আবারও তিনটি উইকেটের লক্ষ্য রাখবেন এবং অস্ট্রেলিয়ার শর্তাবলীর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার তার পদ্ধতি দেশীয় খেলোয়াড়দের জন্য উদাহরণস্বরূপ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে রিশাদ বললেন, “আমি চেষ্টা করব এই বিনয়ী ও সরল মনোভাব বজায় রাখতে, যাতে আমি এবং আমার সহকর্মীরা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিতে পারি।” তার এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments