অস্ট্রেলিয়ায় এক মাস অর্ধেক কাটিয়ে রিশাদ তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছেন। বর্তমানে তিনি বিগ ব্যাশে ধারাবাহিকভাবে পারফরম্যান্স দিচ্ছেন এবং দেশের ক্রিকেটের আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন। তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অদম্য টি‑টুয়েন্টির প্রথম ম্যাচে ২১ রান তৈরি করে তিনটি উইকেট নেওয়া উল্লেখযোগ্য, যা তার আক্রমণাত্মক ও বলিং দুটো দিকের দক্ষতা প্রকাশ করে। এই ম্যাচে রিশাদের অবদান দলকে শক্তিশালী শুরুর সূচনা দিতে সহায়তা করেছে।
বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত না হওয়া নিয়ে রিশাদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে, তারও একই রকম হতাশা রয়েছে। তার উত্তরে তিনি সংক্ষেপে বলেছিলেন, “আমারও সেম।” এই স্বীকারোক্তি তার ক্যারিয়ারের বর্তমান পর্যায়ে যে মানসিক চাপ রয়েছে তা স্পষ্ট করে।
বিগ ব্যাশে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের ইতিহাসে শাকিব আল হাসান ২০১৫ সালে একবার অংশগ্রহণের পর দশ বছর পর রিশাদই আবার সুযোগ পেয়ে আছেন। মাঝের দশকে কোনো বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে এই টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা রিশাদের অর্জনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।
রিশাদ বিগ ব্যাশের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, “ওরা জিজ্ঞেস করছিল বাংলাদেশের তো অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, ওরা বাইরে খেলে না কেন। আমি বলেছি, সুযোগ এলে অবশ্যই খেলবে।” তার এই মন্তব্য দেশীয় প্রতিভার আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
পাকিস্তান অধিনায়কের সাম্প্রতিক মন্তব্যও আলোচনায় উঠে এসেছে; তিনি ১৪ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশি দলের বিশ্বকাপ না খেলায় তার মতামত প্রকাশ করেছেন। যদিও মন্তব্যের বিস্তারিত প্রকাশিত হয়নি, তবু এই বিষয়টি রিশাদের পারফরম্যান্সের প্রেক্ষাপটে একটি অতিরিক্ত দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে।
রিশাদের বর্তমান ফর্ম বজায় রাখতে তিনি পরবর্তী বিগ ব্যাশের ম্যাচগুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। তার পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের উপস্থিতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা উভয়ই দেশের ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করে।
সারসংক্ষেপে, অস্ট্রেলিয়ায় কাটানো এক মাস অর্ধেকের পর রিশাদের শীর্ষ ফর্ম, তার ২১ রান ও ৩ উইকেটের পারফরম্যান্স, এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের সম্ভাবনা নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



