15 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনফিনিয়াস ও'কনেল সিস্টেমে বিলে ইলিশের গ্র্যামি বক্তৃতা নিয়ে সমালোচকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ফিনিয়াস ও’কনেল সিস্টেমে বিলে ইলিশের গ্র্যামি বক্তৃতা নিয়ে সমালোচকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া

বিলি ইলিশের ভাই ফিনিয়াস ও’কনেল বুধবার সামাজিক মাধ্যমে তার বোনের গ্র্যামি স্বীকৃতি অনুষ্ঠানের বক্তৃতা নিয়ে সমালোচকদের দিকে তীব্র মন্তব্য করেন। ইলিশ ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’ গানের জন্য সেরা গানের পুরস্কার জিতার পর মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি, বিশেষ করে আইসিই (ICE)‑এর কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষা ব্যবহার করেন। তার বক্তব্যে তিনি ‘চুরি করা জমিতে কেউই অবৈধ নয়’ বলে উল্লেখ করেন এবং ‘ফাক আইস’ শব্দটি উচ্চারণ করেন, যা সিবিএস (সিবিএস) সম্প্রচারে বীপ করে বাদ দেওয়া হয়।

ইলিশের এই মন্তব্যের সঙ্গে তিনি ও ফিনিয়াস উভয়ই পোশাকে ‘ICE OUT’ পিন পরিধান করে উপস্থিত ছিলেন। গ্র্যামি অনুষ্ঠানে আইসিই‑এর বিরুদ্ধে এই প্রকাশনা অন্যান্য শিল্পীরাও করেন; ব্যাড বানি, শাবুজি এবং অলিভিয়া ডিনেরাও একই মঞ্চে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন। তবে ইলিশের তীব্র শব্দ ব্যবহার বিশেষ করে একজন সিনেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সেনেটর টেড ক্রুজ, যিনি নেটফ্লিক্স-ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারি মার্জের অ্যান্টিট্রাস্ট হিয়ারিংয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন, তিনি গ্র্যামি অনুষ্ঠানের এই ঘটনার উল্লেখ করে নেটফ্লিক্স সিইও টেড সারান্ডোস এবং ওয়ার্নার ব্রোসের রেভিনিউ অফিসার ব্রুস ক্যাম্পবেলকে প্রশ্ন তোলেন। ক্রুজের মতে, মঞ্চে ‘কেউই অবৈধ নয়’ বলে উচ্চারণ করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে শিল্পীরা তা উদযাপন করা, যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে এবং বিনোদন জগতের নৈতিকতা ক্ষয় করতে পারে। তিনি সরাসরি ইলিশের নাম না নিয়ে, তবে উল্লেখ করেন যে তিনি এই বক্তব্যের পর ‘১৪ মিলিয়ন ডলারের ম্যানশন’‑এ ফিরে গেছেন এবং ‘চুরি করা জমি’‑এর ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নন।

ফিনিয়াস ও’কনেল একই সময়ে থ্রেডস (Threads) প্ল্যাটফর্মে একটি মতামত নিবন্ধের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন, যা ইউএসএ টুডে (USA Today) গ্র্যামি পরবর্তী প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি লেখককে শিল্পীদের কাজের উপর মনোযোগ দিতে এবং রাজনৈতিক মন্তব্যে না জড়াতে আহ্বান জানান। ও’কনেল উল্লেখ করেন যে, শিল্পের মূল কাজ হল পারফরম্যান্স, আর রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়া শিল্পের স্বাতন্ত্র্যকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে।

ইলিশের গ্র্যামি বক্তৃতা এবং ফিনিয়াসের প্রতিক্রিয়া সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনলাইন ব্যবহারকারীরা ইলিশের বক্তব্যকে সমর্থন করে তার সাহসিকতাকে প্রশংসা করেছেন, অন্যদিকে কিছু ব্যবহারকারী তাকে ‘বিনোদন থেকে দূরে থাকা উচিত’ বলে সমালোচনা করেছেন। উভয় দৃষ্টিকোণই ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এই ঘটনার পর, গ্র্যামি শোয়ের প্রচারকারী নেটফ্লিক্সের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য শিল্পী ও সংগঠনগুলোও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছে। যদিও নেটফ্লিক্সের সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে এই বিষয়টি নেটফ্লিক্সের ভবিষ্যৎ কন্টেন্ট নীতি এবং শিল্পীদের সামাজিক দায়িত্বের আলোকে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে।

সিবিএস (সিবিএস) সম্প্রচারে আইসিই‑এর প্রতি ইলিশের তীব্র মন্তব্যের বীপিং এবং সেনেটরের রাজনৈতিক মন্তব্যের সংমিশ্রণ, গ্র্যামি পুরস্কার অনুষ্ঠানের ঐতিহ্যগত বিনোদনমূলক দিককে রাজনৈতিক আলোচনার মঞ্চে রূপান্তরিত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে শিল্পী, মিডিয়া এবং রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা ও দায়িত্ব পুনরায় বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিলি ইলিশের গ্র্যামি স্বীকৃতি এবং তার পরবর্তী বক্তৃতা, ফিনিয়াস ও’কনেলের সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া, এবং সেনেটরের মন্তব্য একত্রে আধুনিক বিনোদন জগতে রাজনৈতিক মতবিরোধের নতুন মাত্রা উন্মোচন করেছে। এই ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে শিল্পী ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সংলাপের ধরনকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং দর্শক ও ভোক্তাদের জন্যও নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments