22 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঅন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভিসা না দেওয়ার দায় সিস্টেমে দিলেন দায়িত্ব

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভিসা না দেওয়ার দায় সিস্টেমে দিলেন দায়িত্ব

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশিদের ভিসা না দেওয়ার মূল কারণকে সিস্টেমের ত্রুটিতে সীমাবদ্ধ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচুর সুযোগ থাকলেও সঠিক প্রক্রিয়া না থাকলে তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় হোসেন জানান, ভিসা প্রদান সম্পূর্ণভাবে কাগজপত্রের যাচাইয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং এই প্রক্রিয়ায় সিস্টেমিক ঘাটতি সরাসরি আবেদনকারীর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বজুড়ে সুযোগের পরিসর বিশাল হলেও আমাদের নিজস্ব দোষে সেগুলো কাজে লাগাতে না পারা একটি বাস্তবতা। ভিসা না দেওয়া সমস্যার জন্য সম্পূর্ণ দায়িত্ব সিস্টেমের উপর তিনি চাপিয়ে দেন এবং সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ ত্রুটির দ্রুত সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে সরকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে হোসেন উল্লেখ করেন, জালিয়াতি মোকাবেলায় আমাদের সিস্টেমের দক্ষতা উচ্চতর হলেও, কাগজের সত্যতা যাচাই না করলে কোনো আবেদনপত্রের ওপর বিশ্বাস রাখা যায় না। তাই কাগজের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের দায়িত্বের অংশ এবং এই ধরনের ত্রুটি শুধুমাত্র একক আবেদনকারীর নয়, পুরো দেশের আন্তর্জাতিক চিত্রকে প্রভাবিত করে।

একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনো নারী মেইড হিসেবে বিদেশে কাজ করতে গিয়ে ভিসা ফ্রন্ট অফিসার বা ম্যানেজার হিসেবে জারি হয়, তবে তা সিস্টেমের ত্রুটির স্পষ্ট চিত্র। এ ধরনের বৈষম্য ও ভুল সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হোসেন বলেন, অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ঘাটতি দূর না করা পর্যন্ত ভিসা সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় এবং ভবিষ্যতে আরও কঠিন সময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে কাগজের যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করার আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক মসৃণ না থাকায় উভয় পক্ষের স্বার্থে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, হোসেন স্বীকার করেন। তবে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, পরবর্তী সরকার এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করতে সক্ষম হবে। এই সম্পর্কের উন্নয়ন কেবল বাণিজ্যিক নয়, মানবিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, তিনি কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে দোষারোপ করতে চান না; ভারত তার স্বার্থ রক্ষা করেছে, তেমনি বাংলাদেশও তার স্বার্থ রক্ষা করেছে। দুই দেশের স্বার্থের পার্থক্যই কখনো কখনো অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।

হোসেনের মতে, ভবিষ্যতে ভিসা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে সিস্টেমের সংস্কার অপরিহার্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার এই সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক সুযোগের দরজা খুলে দেবে।

এদিকে, ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় নীতি পরিবর্তন ও তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা হোসেন প্রদান করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কাগজের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং তা সঠিকভাবে যাচাই করা আমাদের দায়িত্বের অংশ।

হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ভিসা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের দায়িত্বশীল কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও তদারকি শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে কাগজের ভুল ব্যাখ্যা বা জালিয়াতি রোধ করা যায়। তিনি বলছেন, সঠিক ডেটা এন্ট্রি ও যাচাইয়ের মাধ্যমে সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।

এ ধরনের সিস্টেমগত সমস্যার ফলে বিদেশে কাজ করা বাংলাদেশি শ্রমিকদের পরিবারে অনিশ্চয়তা ও আর্থিক চাপ বাড়ে। হোসেনের মতে, ভিসা না পাওয়া কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, দেশের রেমিট

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments