যামি গৌতম ধর ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ ছবির ক্যামিও শুটিং শেষ করেছেন এবং ছবির পোস্ট‑প্রোডাকশন কাজ চলছে। চলচ্চিত্রটি পরিচালক আদিত্য ধরের নেতৃত্বে তৈরি এবং রণবীর সিং প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ছবির মুক্তি ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত হয়েছে।
ক্যামিও শুটিং চার থেকে পাঁচ দিন ধরে সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে যামির উপস্থিতি কেবল সাজসজ্জা নয়, গল্পের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শুটিংয়ের সময় দলটি গোপনীয়তা বজায় রেখে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করেছে। এই সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি সিক্যুয়েলের মূল কাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হবে।
‘ধুরন্ধর’ মূল ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গৃহীত আয়কারী চলচ্চিত্রের শিরোপা অর্জন করেছে। প্রথম অংশের বাণিজ্যিক সাফল্য নির্মাতাদেরকে একটি বৃহত্তর গল্প জগৎ গড়ে তোলার সুযোগ দিয়েছে। সিক্যুয়েলটি মূল কাহিনীর মূল দলকে পুনরায় একত্রিত করে নতুন মোড় যোগ করেছে।
সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ এ রণবীর সিং ছাড়াও অক্ষয় খন্না, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল, আর. মধবন এবং সারা অরজুনের মতো পরিচিত মুখগুলো উপস্থিত থাকবে। প্রতিটি অভিনেতা তাদের চরিত্রের নতুন দিক উপস্থাপন করবেন। ছবির স্ক্রিপ্টে মূল কাহিনীর সঙ্গে নতুন উপকথা যুক্ত করা হয়েছে।
চিত্রনির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে আদিত্য ধর, যিনি প্রথম ছবির সাফল্যের ভিত্তিতে এই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করেছেন। পরিচালকের দৃষ্টিভঙ্গি মূল থিমকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করা। ছবির ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও সাউন্ডট্র্যাকেও নতুনত্ব দেখা যাবে।
প্রযোজনা কাজ জিও স্টুডিওস এবং B62 স্টুডিওসের সমন্বয়ে চলছে। উভয় প্রযোজনা সংস্থা পূর্বে সফল বড় স্ক্রিন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সহযোগিতা ছবির গুণগত মান ও বাজারে পৌঁছানোর ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে।
যামি গৌতম ধর সম্প্রতি ‘হাক’ ছবিতে কাজ করেছেন, যেখানে তার পারফরম্যান্স দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। ‘হাক’ তে তার অভিনয় তাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এই সাফল্য তার ক্যামিও শুটিংকে আরও মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু করে তুলেছে।
‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ এখন পোস্ট‑প্রোডাকশন পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে এডিটিং, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং সাউন্ড মিক্সিং কাজ চলছে। চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত রূপ দর্শকের সামনে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। টিমটি মুক্তির আগে শেষ চেক এবং টেস্ট স্ক্রিনিং সম্পন্ন করবে।
মার্চে নির্ধারিত মুক্তির আগে প্রচারমূলক কার্যক্রম শুরু হবে, যার মধ্যে টিজার, ট্রেলার এবং মিডিয়া ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। দর্শকরা ছবির নতুন গতি ও চরিত্রের বিকাশের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এই সিক্যুয়েলটি পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বক্স অফিসে বড় হিট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিনোদন ও লাইফস্টাইল অনুষদের পাঠকরা ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ কে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখতে পারেন, যা হিন্দি সিনেমার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। ছবির গল্প, কাস্ট এবং প্রযোজনা গুণমানের সমন্বয় বাংলা দর্শকদেরও আকৃষ্ট করবে বলে আশা করা যায়। মুক্তির দিনটি নিকটবর্তী হওয়ায় সকল সিনেমা প্রেমীর জন্য এটি একটি অপেক্ষারত আনন্দের মুহূর্ত।



