22 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নির্বাচন বিষয়ক ব্রিফিং...

বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নির্বাচন বিষয়ক ব্রিফিং দিলেন

ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে অবস্থিত সি‑১৩০ হ্যাঙ্গারে বৃহস্পতিবার বিমান বাহিনীর সদস্যদের সামনে এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট‑২০২৬ সম্পর্কিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এই ব্রিফিংটি নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিফিংয়ের সময় প্রধান বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা নির্বাচনের সময়কাল, সম্ভাব্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিমান বাহিনীর ‘In Aid to Civil Power’ মিশনের আওতায় মোট ৩,৭৩০ জন কর্মী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান করবে। এদের মধ্যে ১,২৫০ জন সদস্য মাঠ পর্যায়ে ৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত (মোট ১১ দিন) মোতায়েন থাকবে। এই দলটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে ২১টি জেলা ও ৩৫টি উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।

মাঠে মোতায়েনকৃত কর্মীরা স্ট্রাইকিং ফোর্সের ভূমিকা পালন করবে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা, ভোট কেন্দ্রের সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর থাকবে। এ সময় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান এবং অমানবিক বায়ুযান (UAV) সার্বক্ষণিকভাবে কার্যক্রমে থাকবে, যা দ্রুত গতি ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা প্রদান করবে।

ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয় যে, নির্বাচনের সময় হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমানগুলো ভোটারদের গন্তব্যস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে, জরুরি মেডিকেল সেবা প্রদান করতে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে UAV গুলো নির্বাচনী এলাকার সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ, সম্ভাব্য হুমকি সনাক্তকরণ এবং তথ্য সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানগণ, বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ঘাঁটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের নির্দেশনা অনুসরণ করে নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিমান বাহিনীর এই প্রস্তুতি, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কোনো অনিয়মের সম্ভাবনা কমানো লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

ব্রিফিং শেষে এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুরো সময়কালে বিমান বাহিনী অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করবে। এই সমন্বয় ব্যবস্থা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং সম্ভাব্য অস্বাভাবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে, বিমান বাহিনী নির্বাচনী ফলাফল সংক্রান্ত কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাবে। এছাড়া, নির্বাচনী কর্মসূচি সমাপ্তির পরেও নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অতিরিক্ত নজরদারি চালু থাকবে।

সারসংক্ষেপে, এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের নেতৃত্বে বিমান বাহিনীর সদস্যদের জন্য অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিং, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সমন্বিত সশস্ত্র সহায়তার বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেছে। এই প্রস্তুতি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments