26 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধপল্লবিতে পরিবারে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার

পল্লবিতে পরিবারে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার

ঢাকার পল্লবি এলাকায় আজ সকালে এক পরিবারে চারজনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহগুলো একটি বেসরকারি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ উপস্থিত হয়। মৃতদেহের মধ্যে ছিলেন এক পুরুষ, তার স্ত্রী এবং দুইটি ছোট সন্তান, যাদের বয়স যথাক্রমে তিন‑আধা ও এক‑আধা বছর।

মৃতদেহের পরিচয় দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি এবং দুই সন্তান মিনহাজ ও আসাদ। পরিবারটি পল্লবির একটি শান্ত পাড়ায় বাস করত এবং কোনো পূর্বে কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।

পল্লবি থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ একএম আলমগীর জাহান ঘটনাটির প্রাথমিক তদন্তে জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই দুঃখজনক ঘটনা পরিবারের মধ্যে ঘটতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, তদন্ত চলাকালীন কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাদ দেওয়া হয়নি এবং তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত অনুসন্ধান চালানো হবে।

দেহগুলোকে পরবর্তী সময়ে পোস্ট‑মর্টেমের জন্য ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে, যেখানে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় নির্ধারণ করা হবে। পোস্ট‑মর্টেমের ফলাফল পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলার প্রাথমিক রূপরেখা উপস্থাপন করা হবে।

পাড়ার বাসিন্দারা জানান, মৃতদেহের পরিবারটি সাধারণত শান্তিপূর্ণভাবে বাস করত এবং কোনো অস্বাভাবিক ঘটনার খবর শোনা যায়নি। কয়েক ঘণ্টা পরেও বাড়ি থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পুলিশকে জানায়।

একজন প্রতিবেশী মোঃ আলাউদ্দিনের মতে, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষমেশ তারা স্থানীয় থানার কাছে অভিযোগ জানায়। তিনি বলেন, বহুবার দরজায় ডাকা সত্ত্বেও কোনো উত্তর না পেয়ে তারা অবশেষে পুলিশকে জানাতে বাধ্য হয়।

পুলিশ এখন মৃতদেহের নিকটস্থ ব্যক্তিবর্গ, আত্মীয়স্বজন এবং পারিবারিক বন্ধুর সঙ্গে প্রশ্নবিদ্ধ করে ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করছে। এছাড়া, মৃতদেহের ঘরোয়া পরিবেশ, ফোন রেকর্ড এবং অন্যান্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি ডিএমভি (ডিস্ট্রিক্ট মেজিস্ট্রেট) আদালতে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় হলে ফৌজদারি শাস্তি প্রয়োগের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চালু করা হবে। পোস্ট‑মর্টেমের ফলাফল এবং সাক্ষ্য সংগ্রহের পরই চূড়ান্ত রায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এই ধরনের সংবেদনশীল ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশের সময় গৃহীত পরিবার ও প্রতিবেশীদের গোপনীয়তা রক্ষা করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলাকালীন সময়ে মিডিয়া ও জনসাধারণকে অনধিক তথ্য ছড়িয়ে না দিয়ে যথাযথ তথ্য প্রদান করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments