সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, যা জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভোটারদের ভোটাধিকার ব্যবহার সহজ করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে যে, মেট্রোরেল সেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে চলবে এবং বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ ভোটের দিন, অতিরিক্ত ট্রেন চালু করা হবে। এই ব্যবস্থা শহরের যাত্রী প্রবাহকে সমন্বিত করে ভোটারদের জন্য নিরাপদ ও দ্রুত পরিবহন নিশ্চিত করবে।
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা জোর দিয়ে বলেছে যে, ছুটির দিনগুলোতে ট্রেনের সময়সূচি কোনো পরিবর্তন হবে না এবং যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। কর্মচারীদেরও স্বাভাবিক কর্মদিবসের মতোই দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে, যাতে সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো বাধা না সৃষ্টি হয়। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ইউনিটের কর্মীরা বিশেষ ছুটি ব্যতীত সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশ মেনে চলবে।
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ আজ সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “এই সময়গুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। আর নির্বাচনের দিন আমরা এক্সট্রা ট্রেন দেব। কোনো অসুবিধা নেই।”
অতিরিক্ত ট্রেনের ব্যবস্থা বিশেষত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবারের জন্য নির্ধারিত, যা ভোটের দিন হিসেবে গণ্য হবে। অতিরিক্ত ট্রেনগুলো মূল সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত সময়ে চালু হবে, যাতে মূল রুটের যাত্রীদের পাশাপাশি ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত ক্ষমতা নিশ্চিত হয়। এই দিনটি ভোটারদের জন্য দ্রুত ও নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত রাইড চালু করা হবে, ফলে মেট্রোরেলের যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাময়িকভাবে কর্মচারীদের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলমের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ট্রেন অপারেশন, লাইন অপারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, জরুরি নিরাপত্তা কার্যক্রমসহ সব ইউনিটে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিশেষ বা জরুরি ছাড়া সব ধরনের ছুটি বাতিল থাকবে, তবে জরুরি বা বিশেষ ক্ষেত্রে ছুটি অনুমোদিত হবে।
এই আদেশের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের প্রধানদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অপারেশনাল কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। প্রতিটি ইউনিটের প্রধানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, কর্মী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ফলে রক্ষণাবেক্ষণ দল, সিগন্যাল টেকনিশিয়ান এবং নিরাপত্তা কর্মীরা স্বাভাবিক শিফটে কাজ চালিয়ে যাবে।
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, ভোটকেন্দ্রের ঠিক পাশে অবস্থিত স্টেশন গেটগুলো বন্ধ রাখা হবে। গেট বন্ধের কারণ হল ভোটার প্রবাহের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়ানো এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো। গেট বন্ধের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা পর্যবেক্ষণ করবে এবং জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প প্রবেশদ্বার ব্যবস্থা করবে। অন্য সব গেটগুলো সাধারণ সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে, যাতে যাত্রীদের প্রবেশ-প্রস্থান সহজ হয়।
ডিএমটিসিএল এই পদক্ষেপগুলোকে ভোটারদের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ভোটদান এবং শহরের চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচনা করেছে। নির্বাচনের দিন মেট্রোরেলের সেবা অব্যাহত থাকায়, ভোটারদের গণপরিবহনের বিক



