26 C
Dhaka
Monday, March 23, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতারেক রহমান ড. ইউনুসের রোহিঙ্গা ও বন্দর মন্তব্যকে অন্ধকার স্বার্থের ইঙ্গিত বলে...

তারেক রহমান ড. ইউনুসের রোহিঙ্গা ও বন্দর মন্তব্যকে অন্ধকার স্বার্থের ইঙ্গিত বলে সমালোচনা

অমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ফেসবুকে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের রোহিঙ্গা ও নতুন বন্দর সংক্রান্ত মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি প্রধান উপদেষ্টার উক্তিকে দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিপরীতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা হিসেবে চিহ্নিত করেন।

তারেকের মতে, ড. ইউনুস রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে থাকতে বলেছিলেন, তবে কয়েক দিন পরই হাজার হাজার শরণার্থী আবার সীমান্ত অতিক্রম করে দেশে প্রবেশ করে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, সরকারী ঘোষণার পেছনে অন্য কোনো স্বার্থ লুকিয়ে আছে।

বন্দরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগও তিনি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি অস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তি আমদানি করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়, তবে দেশের নিরাপত্তা গুরুতরভাবে প্রভাবিত হবে। বর্তমানে ইরান, পাকিস্তান, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশ থেকে প্রযুক্তি শেয়ারিং চলছে, যা তিনি ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন।

ভবিষ্যতে যে কোনো শাসনক্ষমতা এই সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে, এ কথায় তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি যুক্তি দেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্দরকে যুক্ত করা একটি পরিকল্পনা, যা শেষ পর্যন্ত বন্দরকে বিদেশী বিনিয়োগকারীর হাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য বহন করে।

ডিপি ওয়ার্ল্ডের পরিদর্শনে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ভারতীয় ছিলেন, এ বিষয়টি তিনি উল্লেখ করে বলেন, একদিকে দিল্লি ও ঢাকা উভয়ের জন্য স্লোগান তৈরি করা হচ্ছে, অন্যদিকে উচ্চ মুনাফার স্বার্থে বন্দরকে বিদেশী হাতে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগে বাধা দেওয়া সম্ভব কি, তা তিনি প্রশ্ন তোলেন।

বন্দরের সেবার শুল্কে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটিয়ে ড. ইউনুস বিদেশী লাভ বাড়ানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করেছেন, তা তিনি সমালোচনা করেন। যদি এই বৃদ্ধি দেশের স্বার্থে করা হয়, তবে কেন পূর্বের হারেই বিদেশী ব্যবসায়ীকে সুবিধা দেওয়া যাবে না, এই প্রশ্ন তিনি উত্থাপন করেন।

আমদানী-রপ্তানিকারক সংস্থাগুলোও বন্দরকে বিদেশী সংস্থার হাতে ছেড়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে, তবে তা কার স্বার্থে হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়, তা তিনি উল্লেখ করেন। এই প্রস্তাবের পেছনে কাদের স্বার্থ লুকিয়ে আছে, তা পরিষ্কার না হওয়ায় তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেন।

দেশীয় উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন অর্জন করা সম্ভব, এ কথায় তিনি জোর দেন। পানি, গ্যাস, তেল ইত্যাদি সম্পদকে বিদেশী নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করে সরকার ও জনগণের যৌথ মালিকানায় পরিচালনা করা হলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব দৃঢ় হবে, তিনি বলেন।

বাপেক্সের ক্ষেত্রে বিদেশি কোম্পানিকে, বিশেষত শেভরনকে, অধিকার প্রদান করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তা তিনি উল্লেখ করেন। এই ধরণের পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি স্বায়ত্তশাসনের জন্য হুমকি স্বরূপ হতে পারে, তিনি সতর্ক করেন।

শেষে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নিজস্ব উৎপাদন ও সেবা ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে বিদেশি স্বার্থের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে এবং তা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর হবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে তিনি ভবিষ্যতে কী ধরনের নীতি গৃহীত হবে, তা নজরে রাখার আহ্বান জানান।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments