ম্যানচেস্টার সিটি নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ৫-১ গৌণ স্কোরে পরাজিত করে কারাবাও কাপের ফাইনালের অধিকার নিশ্চিত করেছে। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে গৃহযুদ্ধে ৩-১ জয় অর্জন করে দলটি চার বছর পর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে প্রবেশ করেছে।
প্রথম লেগে ম্যানচেস্টার সিটি ২-০ গোলে সুবিধা নিয়ে মাঠে ফিরে এসেছিল। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে শিকড় গাঁথা নিউক্যাসলকে ৩-১ পরাজিত করে গার্দিওলার অধীনে দলটি মোট ৫-১ ব্যবধানে বিশাল জয় নিশ্চিত করেছে।
দ্বিতীয় লেগের সূচনা থেকেই ম্যানচেস্টার সিটি বলের আধিপত্য বজায় রাখে। ম্যাচের ৬৩ শতাংশ সময়ে দলটি বলের দখল রাখে এবং মোট ১৮টি শট নেয়, যা প্রতিপক্ষের গোলমুখে ধারাবাহিক চাপের ইঙ্গিত দেয়।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে মিশরীয় ফরোয়ার্ড ওমর মারমাউস দ্রুত গতি নিয়ে নিউক্যাসলের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে প্রথম গোলের সুযোগ তৈরি করে। তার এই গোলটি সিটিকে প্রথম লিড এনে দেয়।
ওমর মারমাউস ২৯তম মিনিটে আবারও স্কোরবোর্ডে নাম লেখায়। এইবার তিনি চমৎকার হেডের মাধ্যমে দ্বিতীয় গোল করেন, যা দলের সুবিধা দ্বিগুণ করে।
প্রতিপক্ষের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটি ৩২তম মিনিটে তৃতীয় গোলের মাধ্যমে স্কোরলাইন ৩-০ করে। ডাচ মিডফিল্ডার রেইন্ডার্সের নিপুণ নিচু শট নিউক্যাসলের জালে গিয়ে গেমে বড় জয়ের স্বাদ যোগায়।
নিউক্যাসল ৬২তম মিনিটে অ্যান্থনি এলাঙ্গার গোল দিয়ে একবার তাড়া করার সুযোগ পায়। তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি অতিরিক্ত গোল না করে ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করে।
মোট স্কোর ৫-১, যা ম্যানচেস্টার সিটিকে টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়। দলটি প্রথম লেগে ২-০ এবং দ্বিতীয় লেগে ৩-১ জয় এনে গৌণ পার্থক্য বজায় রেখেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী ম্যানচেস্টার সিটি ৬৩ শতাংশ সময়ে বলের দখল রাখে, ১৮টি শট নেয় এবং তিনটি গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজের হাতে নেয়। নিউক্যাসল ৩টি শট নেয় এবং এক গোল করে পার্থক্য কমাতে পারে না।
কোচ পেপ গার্দিওলা ফাইনালে পৌঁছানোর পর দলের মানসিকতা ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। তিনি বলেছিলেন, দলটি পুরো ম্যাচে একক আধিপত্য বজায় রেখেছে এবং সঠিক পরিকল্পনা অনুসারে খেলেছে।
ফাইনাল ম্যাচ ২২ মার্চ লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ম্যানচেস্টার সিটি আর্সেনালের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। দুই দলই ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষ শক্তি হিসেবে এই ম্যাচে বিজয়ীর শিরোপা দখল করার জন্য প্রস্তুত।
ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ম্যানচেস্টার সিটির দৃঢ় পারফরম্যান্স এবং আর্সেনালের চ্যালেঞ্জ উভয়ই ভক্তদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ দৃশ্য তৈরি করবে।



