18 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধডোনাল্ড ট্রাম্পের এপস্টেইন মামলায় 'অগ্রসর হওয়া' দাবি, তদন্ত ও প্রকাশে বাধা অব্যাহত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এপস্টেইন মামলায় ‘অগ্রসর হওয়া’ দাবি, তদন্ত ও প্রকাশে বাধা অব্যাহত

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত যৌন পাচার তদন্তের অংশ হিসেবে লক্ষ লক্ষ নথি প্রকাশ করেছে। এই নথিগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশকে এপস্টেইন বিষয় থেকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, তবে এ দাবি বাস্তবায়নে বাধা এখনও দৃশ্যমান।

ডিপুটি ইউ.এস. অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চের মতে, কংগ্রেসের নভেম্বর মাসে পাশ করা আইন অনুযায়ী এপস্টেইন ফাইলের সরকারী পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং নতুন কোনো অভিযোগের ভিত্তি পাওয়া যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন, “অনেক ইমেইল, চিঠিপত্র ও ফটোগ্রাফ আছে, তবে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো অভিযুক্তকে আদালতে আনা সম্ভব নয়।”

ক্যাপিটল হিলে, হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এপস্টেইন বিষয়ক নিজস্ব তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। রিপাবলিকানদের হুমকির পর বিল ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটনকে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের অমান্য করলে তাদেরকে কনটেম্পট অফ কংগ্রেসের শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

কংগ্রেসের সদস্য এবং এপস্টেইনের শিকাররা প্রকাশিত নথির বাইরে আরও কিছু ডকুমেন্টের অস্তিত্ব দাবি করে অতিরিক্ত প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা উল্লেখ করেন, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল ও আর্থিক রেকর্ড এখনও প্রকাশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, যা তদন্তের স্বচ্ছতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এপস্টেইন বিষয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, এই কেসের জটিলতা এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযোগের কারণে তা সহজে অতিক্রম করা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের মতে, দেশের মনোযোগ অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে সরিয়ে নেওয়া দরকার, তবে রাজনৈতিক ও আইনি চাপের ফলে এ বিষয়টি পুরোপুরি শেষ হওয়া কঠিন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এপস্টেইনের নথিতে উল্লেখিত কিছু ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যে প্রভাবের সম্মুখীন হয়েছেন। প্রাক্তন প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর, প্রাক্তন যুক্তরাজ্য দূতাবাসের প্রধান লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন, এবং প্রাক্তন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি ল্যারি সামারসের নাম নথিতে উঠে এসেছে, যা তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত অবস্থায় প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং টেক দিগন্তের মালিক এলন মাস্কের নামও ইমেইল ও যোগাযোগের রেকর্ডে দেখা গেছে; উভয়ই মিডিয়ার সামনে তাদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

বিচার বিভাগ ও কংগ্রেসের পরবর্তী পদক্ষেপ এখনও অনিশ্চিত, তবে এপস্টেইন মামলায় নতুন তথ্যের প্রকাশ বা অতিরিক্ত আইনি প্রক্রিয়া চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, শিকারদের দাবি এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ব্যবস্থা এই জটিল কেসের সমাধানে আরও সময় ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments