18 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনজেনিফার এস্পোসিটো মর্টগেজ করা বাড়ি ছেড়ে চলচ্চিত্রের জন্য ত্যাগ স্বীকার

জেনিফার এস্পোসিটো মর্টগেজ করা বাড়ি ছেড়ে চলচ্চিত্রের জন্য ত্যাগ স্বীকার

অভিনেত্রী জেনিফার এস্পোসিটো তার নিজের বাড়ি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তিনি তার প্রথম পরিচালনায়, “Fresh Kills”‑এর জন্য মর্টগেজ করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি কাঁদতে কাঁদতে এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন এবং নিজের আর্থিক সংকটের কারণ চলচ্চিত্রের উৎপাদন বলে জানান।

এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন সিরিজ “Blue Bloods”‑এর জন্য পরিচিত এস্পোসিটো, ২০২৩ সালে “Fresh Kills”‑এর পরিচালক, লেখক, প্রযোজক এবং প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই মাফিয়া থ্রিলার ছবিতে এমিলি ব্যাডার, ওডেসা আজিয়ন, ডোমেনিক লম্বার্ডোজি এবং অ্যানাবেলা স্কিওরার মতো নামকরা অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও অংশ নেন।

ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমি এখন খুবই দুঃখিত, কারণ আমি আমার বাড়ি ছেড়ে দিচ্ছি, যা আমি ছবির জন্য মর্টগেজ করেছি।” এরপর তিনি মানবিক দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন, “আমাদের একে অপরের প্রতি মানবিক শালীনতা থাকা উচিত,” এই কথাগুলো তিনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করেন।

এস্পোসিটো উল্লেখ করেন, শিল্পের আলোচনায় থাকা ব্যক্তিরা যদি সহজে কোনো কাজের প্রচার না করতে পারে, তবে তা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, “কেউ কারো প্রতি কিছু ঋণী নয়, তবে মানবিক দায়িত্ব আছে,” এবং এই দায়িত্বকে তিনি নিজের ত্যাগের সঙ্গে যুক্ত করেন।

তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টের পরপরই তিনি আবার প্ল্যাটফর্মে ফিরে এসে সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি লিখে জানান, “আপনাদের সমর্থন আমাকে অতি প্রেরণাদায়ক হয়েছে,” এবং উল্লেখ করেন যে দর্শকরা ছবিটি দেখে কাঁদা, আনন্দ বা হতাশা প্রকাশ করেছেন, যা তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এস্পোসিটো বলেন, শিল্পী হিসেবে কাজ করার মূল উদ্দেশ্য হল মানবিক সংযোগ এবং আত্মপ্রকাশ। তিনি যোগ করেন, “এই সংযোগই আমাদের কাজের মূল পুরস্কার,” এবং পুনরায় নিশ্চিত করেন যে তিনি আবারও একই ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছবির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি কঠোর প্রযোজকের কারণে প্রকল্পটি বিপদের মুখে পড়ে। সেই প্রযোজক ছবিটিকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছিলেন, ফলে তাকে নিজে থেকে সবকিছু রক্ষা করতে হয়েছিল, যার মধ্যে তার বাড়িও অন্তর্ভুক্ত।

এস্পোসিটো বলেন, “আমি যখন ছবিটিকে বাঁচাতে নিজে বাড়ি বিক্রি করে ঋণ নিয়েছিলাম, তখনই আমি বুঝতে পারি শিল্পের জন্য কতটা ত্যাগ দরকার।” এই ত্যাগের ফলে তিনি আর্থিকভাবে কঠিন অবস্থায় পড়েছেন, তবে তিনি তা স্বীকার করে গর্বিত।

সমর্থকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি একটি তালিকা শেয়ার করেন, যেখানে তিনি কীভাবে সাহায্য করা যায় তা উল্লেখ করেছেন। যদিও নির্দিষ্ট পদ্ধতি প্রকাশ করা হয়নি, তবে তিনি পাঠকদেরকে ছবির প্রচার এবং সমর্থন অব্যাহত রাখতে আহ্বান জানান।

জেনিফার এস্পোসিটোর এই প্রকাশনা তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সামাজিক মাধ্যমে তার পোস্টের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং সমর্থনের তরঙ্গ দেখা গেছে, যা তার ত্যাগকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

তার এই অভিজ্ঞতা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে আর্থিক ঝুঁকি এবং শিল্পের প্রতি নিবেদন একসঙ্গে চলতে পারে। একই সঙ্গে এটি শিল্পের মানবিক দিকের গুরুত্বকে পুনরায় জোর দেয়।

শেষে, এস্পোসিটো আবারও বলেন, “আমি আবারও এই পথে চলতে প্রস্তুত, কারণ মানবিক সংযোগই আমাদের সবার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান।” তার এই দৃঢ়সঙ্কল্প এবং ত্যাগের গল্পটি শিল্পের জগতে নতুন আলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments