19 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১,০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচন দায়িত্বে নিযুক্ত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১,০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচন দায়িত্বে নিযুক্ত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ একটি নোটিফিকেশন জারি করে ১,০৫১ জন প্রশাসনিক ক্যাডারের কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান করেছে। এই পদক্ষেপটি ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এক সপ্তাহের জন্য কার্যকর হবে। নোটিফিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পরিচালনা সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই কর্মকর্তাদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হবে।

নোটিফিকেশনের অনুযায়ী, নতুনভাবে ক্ষমতায়িত ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের নির্ধারিত এলাকায় মোবাইল কোর্ট চালু করবে। এই কোর্টগুলো ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবং স্থানীয় আইন লঙ্ঘন, শৃঙ্খলা ভঙ্গ ইত্যাদি বিষয় দ্রুত সমাধানের জন্য ব্যবহৃত হবে। প্রতিটি ম্যাজিস্ট্রেটকে তার দায়িত্বের আওতায় থাকা এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

অফিসারদেরকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারকে রিপোর্ট করতে হবে। এরপর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারকে একই সন্ধ্যায় ২০:০০ টার মধ্যে যোগদানের রিপোর্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রেরণ করতে হবে। এই সময়সীমা মেনে চলা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা চালু করেছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা মূলত স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা বজায় রাখা। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছোটখাটো অপরাধ, ট্রাফিক লঙ্ঘন এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের উপর দ্রুত শাস্তি প্রদান করা সম্ভব হবে, যা নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বিপক্ষের দলগুলোও এই পদক্ষেপের দিকে নজর দিয়েছে। কিছু রাজনৈতিক দল উল্লেখ করেছে যে, তারা নির্বাচনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দল স্পষ্টভাবে এই ব্যবস্থার বিরোধিতা করেনি, বরং স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ব্যবস্থা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে দ্রুত আইনি কার্যক্রম চালু হলে নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ ও অশান্তি কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, এই পদক্ষেপ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনের প্রতি আস্থা বাড়াতে পারে, যা সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

অগ্রসর হয়ে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা হবে। নির্বাচনী কমিশনও এই ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করবে। এভাবে, ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments