21 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকগ্রীসের কস্টগার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৫ মাইগ্র্যান্টের মৃত্যু, সরকার smuggler দোষারোপ

গ্রীসের কস্টগার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৫ মাইগ্র্যান্টের মৃত্যু, সরকার smuggler দোষারোপ

গ্রীসের চিওস প্রণালীর কাছে একটি গতি-নৌকা গ্রীক কস্টগার্ডের প্যাট্রল জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার পর ১৫ আফগান ও মরক্কো নাগরিকের মৃত্যু ঘটেছে। একই ঘটনায় ২৪ জন আহত হয়েছে। গ্রীক কর্তৃপক্ষের মতে, মাইগ্র্যান্টদের চালিত নৌকা ভিজ্যুয়াল ও অডিবল সিগন্যাল উপেক্ষা করে বিপজ্জনক চালনা করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

গ্রীসের সরকার তৎক্ষণাৎ smuggler-দের দোষারোপ করে, দাবি করেছে যে তারা কস্টগার্ডের নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হয়েছে। এধরনের তাত্ক্ষণিক ব্যাখ্যা পূর্বের সমুদ্রপথে ঘটিত মাইগ্র্যান্ট মৃত্যুর ঘটনায়ও দেখা গেছে।

২০২৩ সালের গ্রীষ্মে দক্ষিণ গ্রীসের কালামাতা বন্দর শহরে ৬৫০ এরও বেশি মাইগ্র্যান্ট ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তখনও সরকারী বর্ণনা ছিল যে অপরাধী গ্যাংগুলো অযোগ্য মাছ ধরা নৌকায় অতিরিক্ত মানুষ চেপে বসিয়েছে। তবে বেঁচে থাকাদের বিবরণে বলা হয়েছে, কস্টগার্ডের টেনে আনার প্রচেষ্টায় নৌকাটি উল্টে গিয়েছিল।

বিবিসি অনুসারে, সেই ঘটনার পরপরই গ্রীক কস্টগার্ডের চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মোট ২১ জন কর্মকর্তাকে অবহেলাপূর্ণ হত্যাকাণ্ডের জন্য ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলাগুলো ভূমধ্যসাগরে গত দশকের সর্বোচ্চ প্রাণহানির জন্য দায়িত্ব নির্ধারণের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চিওসের এই সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা এখনও তাড়াতাড়ি, তবে গ্রীক কর্তৃপক্ষের দ্রুত smuggler দোষারোপের পদ্ধতি অতীতের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। গ্রীক মিডিয়া এই ঘটনায় মাইগ্র্যান্টের গতি-নৌকা “বিপজ্জনক চালনা” করেছিল বলে জোর দিয়ে রিপোর্ট করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতি ও গ্রীসের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বের মধ্যে এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে। গ্রীসের কস্টগার্ডের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে প্রশ্নের মুখে।

ইউরোপীয় কমিশনের অভিবাসন বিভাগ গ্রীসের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। একই সঙ্গে গ্রীসের সরকারকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মাইগ্র্যান্টদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে।

অধিকন্তু, গ্রীসের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে এই ঘটনার প্রভাব বাড়ছে। সরকারী দায়িত্বশীলদের ওপর চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে কস্টগার্ডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলমান ফৌজদারি তদন্তের আলোকে।

মাইগ্র্যান্টদের নিরাপদে ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য গ্রীক নৌবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও দৃষ্টিপাত করছে। নৌবাহিনীর সিগন্যাল অনুসরণে ব্যর্থতা বা টেনে আনার প্রচেষ্টায় ত্রুটি ঘটলে তা কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, তা ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

এই ঘটনার পর গ্রীক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের ফলাফল কীভাবে প্রকাশ পাবে এবং কি ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থার নজরে থাকবে।

অবশেষে, গ্রীসের কস্টগার্ডের সঙ্গে মাইগ্র্যান্ট নৌকার সংঘর্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রীক সরকারকে সমুদ্রপথে মাইগ্র্যান্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কৌশল গড়ে তুলতে হবে। এ ধরণের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নীতি সমন্বয় অপরিহার্য।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments