সেন্ট মিরেনের ঘরে হার্টস ১-০ পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ক্রেগ হালকেটের প্রথমার্ধের লাল কার্ডের ফলে দলটি দশজনে কমে গিয়েছিল। ম্যাচের শেষের দিকে মিগুয়েল ফ্রেকলটনের হেডার গলে গিয়েছিল, যা দলকে এই মৌসুমের তৃতীয় পরাজয়ে নিয়ে গেল।
২৯তম মিনিটে হালকেটকে রেড কার্ড দেখানো হয়, যখন তিনি জ্যাকব ডেভানিকে, যিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ঋণ নিয়ে সেন্ট মিরেনে ডেবিউ করছিলেন, গোলের সুযোগ থেকে বাধা দেন। রেফারির সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় ডিফেন্ডারকে অবিলম্বে মাঠ থেকে বহিষ্কৃত করা হয়, ফলে হার্টসের খেলায় বড় প্রভাব পড়ে।
সেন্ট মিরেনের কোচ স্টিফেন রবিনসন এই ম্যাচে পাঁচজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন, যার মধ্যে ডেভানির ডেবিউও অন্তর্ভুক্ত। ডেভানি, যিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধীনে ঋণ নিয়ে খেলছেন, তার প্রথম উপস্থিতি দলকে নতুন গতিশক্তি যোগায়।
হার্টসের দিকেও দুইজন খেলোয়াড়ের পরিবর্তন করা হয়। মাইকেল স্টেইনওয়েন্ডার এবং বেনি বানিঙ্গিমে যথাক্রমে জর্ডি আল্টেনা ও টমাস ম্যাগনসনকে পরিবর্তন করে মাঠে নামেন। এই পরিবর্তনগুলো দলকে আক্রমণাত্মক বিকল্প প্রদান করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়।
প্রথম মিনিটেই হার্টসের আক্রমণ শুরু হয়, যখন অ্যালেক্স গোগিক ডিক্লান জনের ফ্রি-কিক থেকে হেডার মারেন, তবে বলটি পোস্টের ওপরে গিয়ে যায়। একই সময়ে সেন্ট মিরেনের আলেক্সান্দ্রোস কিজিরিডিসের শটটি শামাল জর্জের হাতে আটকে যায়, যা প্রথমার্ধের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সুযোগ হিসেবে রয়ে যায়।
হার্টসের গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্ভলো তার প্রথমার্ধে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। তিনি মিকায়েল ম্যান্ড্রনের শটকে থামান এবং ডেভানির ডান দিকের ক্রসটি ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে আসে। গোগিকের বাম দিকের ইনসুইং ক্রসও শ্ভলোই প্রতিহত করেন, ফলে সেন্ট মিরেনের চাপ বাড়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে হার্টসের আক্রমণ কিছুটা কমে যায়, তবে তারা এখনও সুযোগের সন্ধান করে। স্টিফেন রবিনসন দলের খেলোয়াড়দের চাপ বাড়াতে বিভিন্ন পাস ও ক্রস ব্যবহার করেন, তবে সেন্ট মিরেনের রক্ষা দৃঢ় থাকে। ৮৮তম মিনিটে মিগুয়েল ফ্রেকলটনের হেডার গলে গিয়ে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে।
এই পরাজয় হার্টসের শিরোপা শিকড়ে বড় আঘাত হানে। তবু দলটি এখন কেল্টিক এবং রেঞ্জার্সের থেকে ছয় পয়েন্টের ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে, যদিও উভয় প্রতিপক্ষের এখনও খেলোয়াড়ের সংখ্যা কম। উভয় দল বুধবারের ম্যাচে গেম ইন হ্যান্ড নিয়ে খেলবে, যা লিগের অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
পরবর্তী সপ্তাহে হার্টসের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দলটি শীঘ্রই কেল্টিকের মুখোমুখি হবে, যেখানে শিরোপা শিরোনাম নিশ্চিত করার জন্য পয়েন্ট সংগ্রহ করা জরুরি হবে। সেন্ট মিরেনের জন্যও এই জয়টি আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, বিশেষ করে ডেভানির ডেবিউ পারফরম্যান্সকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হবে।
সারসংক্ষেপে, লাল কার্ডের ফলে দশজনে কমে যাওয়া হার্টসের জন্য শেষ মুহূর্তের হেডারটি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং লিগের শীর্ষে তাদের অগ্রগতি এখন কেল্টিক ও রেঞ্জার্সের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল।



