27 C
Dhaka
Tuesday, February 3, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিহাইকোর্ট ঢাকা‑১১ নির্বাচনের জন্য এমএ কায়ুমের প্রার্থিতাকে অস্বীকার করে না

হাইকোর্ট ঢাকা‑১১ নির্বাচনের জন্য এমএ কায়ুমের প্রার্থিতাকে অস্বীকার করে না

ঢাকা হাইকোর্ট আজ একক রায়ে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP) কনভিনার ও ঢাকা‑১১ প্রার্থী সাহিদুল ইসলাম কর্তৃক দাখিল করা রিট পিটিশন প্রত্যাখ্যান করে। পিটিশনটি বিএনপি প্রার্থী ডা. এমএ কায়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল, যেখানে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপন করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

বিচারক ফাহমিদা কাদের ও বিচারক মো. আশিফ হাসান সমন্বিত বেঞ্চে শুনানির পর রায় জারি করা হয়। রায়ে বলা হয়েছে যে পিটিশনের ভিত্তি সামাজিক মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

এই রায়ের ফলে এমএ কায়ুমের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা‑১১ আসনের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বাধা নেই। তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে চলবে।

সাহিদুল ইসলাম এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আপিলটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দায়ের করা হবে যাতে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বৈধতা পুনরায় পরীক্ষা করা যায়।

সাহিদুল ইসলাম ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন, যেখানে তিনি নির্বাচন কমিশনের এমএ কায়ুমের নামনির্ধারণ ও প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। তার আইনজীবী মো. জাহিরুল ইসলাম মুসা দাবি করেন, কায়ুম ভানুয়াতু প্রজাতন্ত্রের নাগরিকত্ব ধারণ করেন এবং এই তথ্যটি তিনি নির্বাচনী ফরমে গোপন করেছেন।

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে পিটিশনের বিষয়বস্তু নির্বাচনী ফরমে উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং সামাজিক মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত অপ্রমাণিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে। ফলে পিটিশনটি প্রক্রিয়াগত দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে।

প্রতিপক্ষের আইনজীবী দলও শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। ডা. এমএ কায়ুমের পক্ষে অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কুদ্দুস কাজাল রায়ের যুক্তি সমর্থন করেন। অন্যদিকে সাহিদুল ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু এবং অ্যাডভোকেট মো. জাহিরুল ইসলাম মুসা।

হাইকোর্টের এই রায়ের পর নির্বাচনী কমিশনের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং এমএ কায়ুমের প্রার্থিতার ওপর কোনো বাধা আর থাকবে না। নির্বাচনের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত, এবং উভয় দলই এখন নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাবে।

সাহিদুল ইসলাম রায়ের পর আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ঢাকা‑১১ আসনের প্রতিযোগিতায় নতুন দিক যোগ করবে। আপিলের ফলাফল নির্বাচনের পূর্বে আদালতে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করতে পারে।

এই রায়ের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনি প্রয়োগের প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। তবে বর্তমান রায় অনুসারে, এমএ কায়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিশ্চিত হয়েছে এবং তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

দ্রুতগতি সম্পন্ন এই মামলায় উভয় পক্ষের আইনজীবী দল ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত, এবং নির্বাচনের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments