19 C
Dhaka
Tuesday, February 3, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুর রহমানের বন্দর স্কুল-কলেজে পরিবারিক ও মাতৃ মর্যাদা সংরক্ষণ দাবি

শফিকুর রহমানের বন্দর স্কুল-কলেজে পরিবারিক ও মাতৃ মর্যাদা সংরক্ষণ দাবি

শফিকুর রহমান, জামায়াত-এ-ইসলামির আমির, চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল-কলেজের মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় পরিবারিক পরিচয়পত্র ও মাতৃ মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানটি সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতের দিকে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি দেশের উন্নয়ন ও যুব কর্মসংস্থান নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

রহমান উল্লেখ করেন, সরকার যদি কাজের সুযোগ দেয় তবে তাদের কাজ করার ইচ্ছা ও ক্ষমতা রয়েছে এবং তারা দেশের গঠন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো ব্যক্তির পরিবারিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মায়ের সম্মান হ্রাস করা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।

যুবসমাজের ন্যায়বিচার দাবিকে তিনি ন্যায়সঙ্গত দাবি হিসেবে স্বীকার করে, ন্যায়বিচার প্রত্যাখ্যানের ফলে অনিবার্য ফলাফল দেখা দেবে বলে সতর্ক করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মাতৃ মর্যাদায় আঘাত হলে তা সহ্য করা হবে না।

কর্মসংস্থান সংক্রান্ত his remarks emphasized that unemployed youth will not be treated with contempt. Instead, they will receive training and skill‑development programs aimed at integrating them into nation‑building activities. এই নীতির মাধ্যমে যুবকদের নেতৃত্বের আসনে দেখতে তিনি আশাবাদী।

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি তিনি বাড়ি, রাস্তা ও কর্মস্থলে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি দিয়ে প্রকাশ করেন। নারী মর্যাদা রক্ষা না হলে তা মেনে নেওয়া হবে না, এ কথায় তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন।

রহমান জানান, জামায়াত-এ-ইসলামির লক্ষ্য একক নির্বাচনের জয় নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি নাগরিকের মুক্তি অর্জন করা। এই লক্ষ্য ছাড়া রাজনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণতা পাবে না, তিনি বলেন।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটের প্রসঙ্গে তিনি এটিকে জুলাইয়ের চেতনার ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করেন এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিজয় নিশ্চিত হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত-এ-ইসলামি কোনো দলকে অপমানের নীতি গ্রহণ করে না এবং প্রতিটি দলকে স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়। এই নীতি অনুযায়ী তারা অন্য দলের পথকে বাধা না দিয়ে সমান সুযোগের পক্ষে দাঁড়ায়।

চট্টগ্রাম বন্দর সংক্রান্ত তার বক্তব্যে তিনি জোর দেন, বন্দরকে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা হবে না। ভবিষ্যতে বন্দরটি জনগণের কল্যাণে, ধর্ম‑বর্ণ নির্বিশেষে, সকলকে দেশের উন্নয়নে যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হবে।

প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে কোনো সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়নি; তবে পূর্বে কিছু বিরোধী দল পরিবারিক পরিচয়পত্রকে রাজনৈতিক সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই মুহূর্তে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া অনুপস্থিত।

শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যগুলো আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রকাশিত হয়েছে, এবং বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে যুব ও নারী বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে জামায়াত-এ-ইসলামির সমর্থন বাড়তে পারে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments